0%

“যমুনা নদীতেও কি নৌবাহিনী মোতায়েন করবে সরকার?” বিস্ফোরক অভিজিৎ দীপকে

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: দিল্লিতে হওয়া বিক্ষোভ ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা (Delhi Security) নিয়ে ফের সরব ককরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janata Party)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে (Abhijeet Dipke)। বিমান থেকে আটক, রাস্তায় বাধা এবং বিক্ষোভ ঘিরে কড়া নিরাপত্তার প্রসঙ্গ টেনেই এবার সরকারের বিরুদ্ধে ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য রাখলেন CJP নেতা। তাঁর কটাক্ষ, এভাবে চলতে থাকলে যমুনা নদীতেও নৌবাহিনী মোতায়েন করা হতে পারে! এদিন প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।

কী বললেন অভিজিৎ দীপকে?

দীপকে জানান, ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের আগে তাঁকে এবং CJP-র আরও দুই নেতাকে বিমানের ভিতর থেকেই আটক করা হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে রাস্তাতেও তাঁকে আটক করা হয় বলে দাবি করেন তিনি। এই দুটি ঘটনার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে দীপকে বলেন, বাকি রয়েছে শুধু নৌকা থেকে গ্রেফতার হওয়া। তাঁর আশঙ্কা, পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছতে পারে যে যমুনা নদীতেও নৌবাহিনী মোতায়েন করা হবে। রাস্তায় ব্যারিকেড বসানো থেকে শুরু করে পরিবহণ পরিষেবায় বিধিনিষেধ, সবকিছুকেই সরকারের বাড়াবাড়ি রকমের নিরাপত্তা!

কেন সরকারের বিরুদ্ধে এই কটাক্ষ?

দীপকের দাবি, একটি বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে প্রায় ৪০ হাজার নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, মেট্রো স্টেশন ও ট্রেন পরিষেবা বন্ধ রাখা এবং দিল্লিতে প্রবেশের পথে ব্যারিকেড বসানোর কারণে সাধারণ মানুষকেও সমস্যায় পড়তে হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে প্রতিবাদের জেরে কেন গোটা দিল্লিকে কার্যত অচল করে দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি করা হবে? তাঁর বক্তব্য, একজন নির্বাচন কমিশনারকে ঘিরে এত নিরাপত্তা ও বিধিনিষেধের প্রয়োজন কেন, তা তিনি বুঝতে পারছেন না। এত ভয় কীসের?

অন্যদিকে, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR-এর বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন CJP-র নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস। শুক্রবার তাঁদের বিরুদ্ধে নথিভুক্ত মামলার শুনানির সূত্রে তাঁরা স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হন। রাঙ্কার বক্তব্য, জেলে থাকলেও আন্দোলন থেমে নেই। তাঁদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ করা উচিত।

ত্রিপুরায় নবজাতকের মুখে গোঁফ! অদ্ভুত কান্ড দেখে ‘থ’ নেটপাড়া, আসল কারণ কী?

দেশের সীমান্ত রক্ষার বদলে নাগরিকদের বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীকে বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অভিজিৎ দীপকে। তাঁর বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ঠেকাতে দিল্লিকে দুর্গে পরিণত করার পরিবর্তে সীমান্তের নিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। সব মিলিয়ে, দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং SIR বিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে CJP-র তরফে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker