SBI Data Breach: ডার্ক ওয়েবে ঘুরছে ৩,৮৯৭ জনের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, কীভাবে অবিলম্বে সাবধান হবেন SBI-এর গ্রাহকরা

নয়া দিল্লি: দেশের সবথেকে বড় রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের তথ্য মিলছে ডার্ক ওয়েবে। গ্রাহকদের ডেটা চুরি হয়ে যাওয়ার কথা স্বীকারও করে নিয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া (State Bank Of India)। নাম, মোবাইল নম্বর, জন্ম তারিখ, ইমেইল আইডি, এমনকী বাড়ির ঠিকানার মতো মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ফাঁস হয়ে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
৩,৮৯৭ জন গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য কীভাবে ফাঁস হল, সেই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে এসবিআই। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে স্টেট ব্যাঙ্কের বিপুল সংখ্যক গ্রাহকের মধ্যে। প্রশ্ন উঠেছে, ব্যাঙ্কে থাকা টাকা কতটা সুরক্ষিত, তা নিয়ে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, ডার্ক ওয়েবে পাওয়া যাচ্ছে ৩.৭৫ লক্ষ রেকর্ড। তার মধ্যে ৩,৮৯৭টি এমন তথ্য আছে, যা দিয়ে একজন ব্যক্তিকে চিহ্নিত করা সম্ভব।
কবে জানতে পারল এসবিআই
গত ১৬ অক্টোবর এসবিআই-এর থ্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস প্রোভাইডার, ডিফেন্স সাইবার এজেন্সি এবং ইন্ডিয়ান কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিমের কাছ থেকে তথ্য ফাঁসের বিষয়ে জানতে পারে। একটি সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাকে এই ঘটনার তদন্তের ভার দিয়েছে এসবিআই। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের তরফে আরও জানানো হয়েছে যে ফাঁস হওয়া তথ্যের সত্যতা যাচাই করা হবে, ডেটাগুলির উৎসও খতিয়ে দেখা হবে। স্টক এক্সচেঞ্জে দেওয়া এক বিবৃতিতে এসবিআই জানিয়েছে যে অবিলম্বে সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
কোর ব্যাঙ্কিং-এ কোনও প্রভাব পড়েনি, জানিয়েছেন SBI
তথ্য ফাঁস হওয়ার কারণে ব্যাঙ্কের কার্যক্রম কোনোভাবে ব্যাহত হয়নি বলে জানিয়েছে এসবিআই। সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করার প্রোটোকল চালু করা হয়েছে, তদন্তও শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
কীভাবে সাবধান হবেন স্টেট ব্যাঙ্কের (SBI) গ্রাহকরা
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অযথা উদ্বিগ্ন হয়ে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। জমা রাখা টাকার ক্ষতি হওয়ার কোনও আশঙ্কাও নেই। কিন্তু, কিছু অবাঞ্ছিত ফোন কল, ইমেইল আসতে পারে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের কাছে। সতর্কতামূলকভাবে কিছু পদক্ষেপ করা প্রয়োজন বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
১. কোথাও কোনও ওটিপি, পাসওয়ার্ড বা পিন শেয়ার করবেন না। স্টেট ব্যাঙ্কের তরফে ফোন করা হচ্ছে বললেও কোনও তথ্য শেয়ার করবেন না।
২. এসএমএস ও ইমেইল অ্যালার্ট অন করে রাখুন। কোনও অজানা লেনদেন চোখে পড়লেই ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
৩. শুধুমাত্র ব্যাঙ্কের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ও অ্যাপ ব্যবহার করুন, কোনও অপরিচিত লিঙ্ক নয়।
৪. নিয়মিত ক্রেডিট কার্ডের লেনদেনে নজর রাখুন। লোন অ্যাকাউন্টেও নজর রাখুন।
৫. কোনও সন্দেহজনক লেনদেন দেখলেই 1930 নম্বরে ফোন করে অথবা cybercrime.gov.in ওয়েবসাইটে লগ ইন করে অভিযোগ জানান।



