0%

‘স্বাধীন কাশ্মীর’, শারজিল ইমামের সমর্থনে স্লোগান! বিতর্কের কেন্দ্রে জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়

ককরোচ আন্দোলনের মাঝেই এবার বিতর্কে দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষাঙ্গনের দেওয়ালে লেখা হল বিতর্কিত ও আপত্তিকর স্লোগান। স্বাধীন কাশ্মীর ও দিল্লির দাঙ্গায় অভিযুক্ত শারজিল ইমামের পক্ষে স্লোগান দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয় আরএসএস, এবিভিপি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিরুদ্ধেও স্লোগান দেওয়া হয়েছে। ঘটনা সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

জানা গিয়েছে, এদিন দিল্লির জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে ‘ফ্রি কাশ্মীর স্লোগান লেখা হয়। পাশাপাশি দাঙ্গায় অভিযুক্ত শারজিল ইমামের মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেওয়া হয়। তাঁর নামের পাশে হৃদয়ের চিহ্ন এঁকে তাঁর প্রতি ভালবাসা প্রকাশ করা হয়েছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ঘটনায় এখনও পুলিশের কাছে কোনও অভিযোগ দায়ের করা হয়নি ঠিকই, তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের তরফে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে সরব হয়েছে অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (এবিভিপি)।

দিল্লির জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে ‘ফ্রি কাশ্মীর স্লোগান লেখা হয়। পাশাপাশি দাঙ্গায় অভিযুক্ত শারজিল ইমামের মুক্তির দাবিতে স্লোগান দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, দিল্লির জেএনইউ বিশ্ববিদ্যালয়ে অতীতে বিক্ষোভ চলাকালীন আজাদ কাশ্মীরের স্লোগানকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়েছিল দেশ। ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করা হয় প্রশাসনের তরফে। ফের সেই স্লোগান নতুন করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তাছাড়া ২০২০ সালে দিল্লির দাঙ্গায় মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে উঠে এসেছিল শারজিল ইমামের নাম। গত ৬ বছর ধরে কারাগারে রয়েছেন তিনি। আদালতে এই শারজিলকে দিল্লি দাঙ্গার মূল ষড়যন্ত্রকারী বলে অভিহিত করেছে পুলিশ। দাঙ্গার জেরে ৫৩ জন নিহত ও ৭০০ জনের বেশি আহত হয়েছিলেন।

এদিকে জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা এমন সময়ে ঘটল যখন শিক্ষার্থীরা ছাত্র ইউনিয়ন পুনর্বহালের দাবিতে ক্যাম্পাসে অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেছে। গত বৃহস্পতিবার, ২০০৬ সালে বিলুপ্ত হওয়া ছাত্র ইউনিয়ন পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গালিব লনে একটি জনসভা করেন। এতে শত শত শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। নবগঠিত সংগঠন ‘ইউনাইটেড স্টুডেন্টস অফ জামিয়া’ জানায়, ক্যাম্পাসে চলমান অনশন ও অবস্থান ধর্মঘটকে সমর্থন জানাতে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ও শিক্ষার্থীরা এই সভার আয়োজন করেছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল ছাত্র ইউনিয়ন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করা।

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker