বলেছিলেন CJP-র সদস্য নন, এবার নেহা বোরাকে বিরাট ধাক্কা দিল দিল্লি হাইকোর্ট

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সিজেপির আন্দোলনের প্রতিনিধি নন নেহা বোরা (Neha Bora), এমনটাই গতকাল হাইকোর্টে দাবি করেছিলেন তাঁর আইনজীবী। তবে এবার ফের তাঁকে ধাক্কা দিল দিলি হাইকোর্ট। সম্প্রতি বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের চ্যালেঞ্জ করে শান্তি বজায় রাখার শর্ত হিসেবে নেহা বোরাকে ১০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ড এবং একজন জামিনদার পেশ করতে বলা হয়েছিল। তবে আদালত এবার সেই আবেদন খারিজ করে দিয়ে ঝটকা দিল নেহাকে।
নেহা বোরাকে ধাক্কা দিল হাইকোর্ট
গত ১৬ অক্টোবর যখন নেহা বোরা ককরোচ জনতা পার্টির তিরঙ্গা মিছিলে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন তখন তাঁকে আটক করে হেফাজতে নেওয়া হয়। তার পরের দিন অর্থাৎ ১৭ অক্টোবর ফের থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। তবে এরপর এসিএমই-র জারি করা নোটিশকে বাতিল করার এবং পুলিশকে তাঁর বিরুদ্ধে কোনও ধরনের জোড়পূর্বক পদক্ষেপ না নেওয়া নির্দেশ দেওয়ার আর্জি জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন নেহা।
তবে শুনানির সময় নেহা বোরার পক্ষে উপস্থিত প্রবীণ আইনজীবী গোপাল শংকরনারায়ন যুক্তি দেন যে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নোটিশ জারি করার সময় নিজের বিবেচকের ক্ষমতা ব্যবহার করেননি, বরং কেবলমাত্র কপি-পেস্ট পদ্ধতি অনুসরণ করেছিলেন। পুলিশের নোটিশের প্রসঙ্গ টেনে এনে আইনজীবী বলেন, পুলিশ অভিযোগ করেছে যে নেহা বোরা মান্ডি হাউস এলাকায় প্রতিবাদ প্রদর্শনের সময় জোরে জোরে চিৎকার করেছেন। এমনকি নিষেধাজ্ঞা জারি করা সত্ত্বেও যন্তর মন্তরের আশেপাশের প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।
চোরবাগানের ঘটনার জের, আগামী বছর থেকে পুজোর ছুটি বাতিল স্বাস্থ্যকর্মীদের, ঘোষণা শারদ্বতের
এদিকে পুলিশের দাবি, কনট প্লেসের সেন্ট্রাল পার্কে অননুমোদিত প্রতিবাদের জন্য মানুষকে উস্কানি দেন নেহা এবং যথাযথ অনুমতি ছাড়াই জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন। তবে আইনজীবী বলেন যে সম্ভবত আইনটি সম্পর্কে একটু জানানো প্রয়োজন যে নাগরিকদের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কোনও অনুমতির প্রয়োজন পড়ে কিনা। তবে উভয় পক্ষের বক্তব্য প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে শোনার পর আদালত এই মামলা খারিজ করে দিয়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে নেহা বোরাকে পিচ বন্ড জমা দিতেই হবে।



