লক্ষ্মীপুজোয় বিশেষ যোগ, ২৫ অক্টোবর কোন কোন রাশির জীবনে আসতে পারে সুখবর?

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: ২৫ তারিখ, রবিবার কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো (Lakshmi Puja)। বাঙালির ঘরে ঘরে জোরকদমে চলছে দেবী লক্ষ্মীর আরাধনার প্রস্তুতি। জ্যোতিষশাস্ত্রের দিক থেকেও ২৫ অক্টোবরের দিনটি অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হচ্ছে। পূর্ণিমা তিথি, হর্ষণ যোগ এবং চন্দ্রের রাশি পরিবর্তন, এই তিনটি বিষয়কে কেন্দ্র করে আগামী দিনের গ্রহ-নক্ষত্রের অবস্থান কোন কোন রাশির জাতক-জাতিকাদের জীবনে সুখ সমৃদ্ধি আনতে চলেছে সেই নিয়ে মানুষের মধ্যে কৌতুহল তৈরি হয়েছে। জ্যোতিষশাস্ত্রের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এই তিথি কয়েকটি রাশির ক্ষেত্রে বেশ ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে চলেছে।
কী বলছে পঞ্জিকা?
পঞ্জিকা অনুযায়ী, ২৫ অক্টোবর সকাল ১১টা ৫৫ মিনিটে পূর্ণিমা তিথি শুরু হবে। এই তিথি চলবে ২৬ অক্টোবর সকাল ৯টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর নিশীথকালের সময় রাত ১০টা ৫৬ মিনিট থেকে ১১টা ৪৬ মিনিট। অন্যদিকে, ওই দিন বিকেল ৫টা ২১ মিনিট পর্যন্ত হর্ষণ যোগ থাকবে বলে পঞ্জিকায় উল্লেখ রয়েছে। এরপর শুরু হবে বজ্র যোগ। জ্যোতিষশাস্ত্রের ব্যাখ্যায় হর্ষণ যোগকে আনন্দ, উৎসাহ ও ইতিবাচকতার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে করা হয়।
এ ছাড়াও রবিবার সন্ধ্যা ৭টা ২২ মিনিট পর্যন্ত চন্দ্র মীন রাশিতে অবস্থান করবে। তারপর চন্দ্রের প্রবেশ হবে মেষ রাশিতে। জ্যোতিষশাস্ত্রে চন্দ্রের অবস্থানকে মানসিক পরিস্থিতি ও দৈনন্দিন অভিজ্ঞতার ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
কোন কোন রাশির জন্য থাকতে পারে ভালো খবর?
২৫ অক্টোবরকে সামনে রেখে প্রকাশিত সাপ্তাহিক রাশিফলের তথ্য অনুযায়ী, সিংহ, কন্যা ও মকর এই তিন রাশির জাতকদের জন্য ভাগ্যের অনুকূল পরিস্থিতির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। বিভিন্ন জ্যোতিষভিত্তিক পূর্বাভাসে গ্রহের অবস্থান ও রাজযোগের উল্লেখ করা হয়েছে এবং এই জাতক-জাতিকাদের কর্মজীবন, ব্যক্তিগত জীবন কিংবা আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে উন্নতির সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। এই সময়ে সংশ্লিষ্ট রাশির জাতক-জাতিকাদের পারিবারিক সম্পর্ক ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বহুদিনের আটকে থাকা কাজে নতুন গতি আসতে পারে এবং ব্যবসার ক্ষেত্রেও উন্নতি হতে পারে।
মিনি মার্ট থেকে নতুন ফুট ওভারব্রিজ, হাবরা স্টেশন বদলে দেওয়ার পরিকল্পনা রেলের
সব মিলিয়ে, কোজাগরী পূর্ণিমা, হর্ষণ যোগ এবং চন্দ্রের রাশি পরিবর্তনকে ঘিরে ২৫ অক্টোবর দিনটি জ্যোতিষগত দিক থেকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তবে একটি বিষয় মনে রাখবেন, এই জ্যোতিষভিত্তিক গণনা বা ভবিষ্যদ্বাণী সম্পূর্ণভাবে মানুষের মনের বিশ্বাস এবং বিভিন্ন প্রথার উপর নির্ভর করে গঠিত হয়। তাই এই গণনাকে একেবারে নিশ্চিত বা অনিবার্য ফলাফল হিসেবে মেনে নেওয়া উচিত নয়।



