এখনই কোনও ‘ব্ল্যাঙ্কেট প্রোটেকশন’ নয়! অভিষেকের আবেদন সটান খারিজ করল হাইকোর্ট

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে জোর চাপে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। থানায় থানায় তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হচ্ছে। এই সব মামলায় একসঙ্গে বিশেষ রক্ষাকবচ তথা ব্ল্যাঙ্কেট প্রোটেকশন চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। তবে তৃণমূল সাংসদের সেই আবেদন খারিজ করে দিল আদালত।
অভিষেকের আবেদন খারিজ করল হাইকোর্ট | (Calcutta High Court)
সম্প্রতি রাজ্যের বিভিন্ন থানায় অভিষেকের বিরুদ্ধে আরও ৮টি এফআইআর হয়েছে। সব মামলায় একত্রে রক্ষাকবচের আবেদন জানিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। বৃহস্পতিবার তাঁর সেই আর্জি মৌখিকভাবে খারিজ করে দেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য।
আরও পড়ুনঃ আজ বাতিল! কবে হবে বকেয়া DA মামলার সুপ্রিম-শুনানি? নতুন আপডেট জানুন
এদিন অভিষেকের আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা হচ্ছে। বিষ্ণুপুর, ভবানীপুর, নাকাশিপাড়া, শিলিগুড়ি সহ একাধিক থানায় ইতিমধ্যেই মামলা হয়েছে। সেই সব মামলায় একত্রে রক্ষাকবচের আবেদন জানান তিনি।
সেই সওয়াল শুনে বিচারপতি ভট্টাচার্য বলেন, “এভাবে একসঙ্গে সব মামলায় রক্ষাকবচ দেওয়া সম্ভব নয়। আলাদা আলাদা অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়েছে। একসঙ্গে সব মামলা জুড়ে কীভাবে রক্ষাকবচ চাইছেন? এটা সম্ভব নয়।“
একথা শুনে অতীতের একটি নজির টেনে আনেন অভিষেকের আইনজীবী। কপিল বলেন, এর আগে একাধিক এফআইআর দায়ের হওয়ায় রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রাক্তন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকবচ দিয়েছিল আদালত। এমনকি ভবিষ্যতে আদালতের নির্দেশ ছাড়া মামলা দায়ের করা যাবে না বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। রাজ্যের আইনজীবী তাতে বলেন, ওই নির্দেশটি অন্তর্বর্তী নির্দেশ ছিল।

বিচারপতি ভট্টাচার্য বলেন, “শুভেন্দু অধিকারীর উদাহরণ দেবেন না। সব পক্ষের বক্তব্য না শুনে কোনও নির্দেশ দেবে না আদালত।“ এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ৩০ জুলাই। এর মধ্যে অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হলে সেটি নিয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাবে বলে জানিয়েছেন বিচারপতি।
এদিকে একের পর এক এফআইআর নিয়ে কয়েকদিন আগেও হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক। তাঁর নামে এখনও অবধি মোট কতগুলি এফআইআর দায়ের হয়েছে তা জানতে চেয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ। সেই মামলায় রাজ্যের থেকে রিপোর্ট চেয়েছিলেন বিচারপতি ভট্টাচার্য।




