চিরঞ্জিতকে নিয়ে বড় জল্পনা! বারাসাতে কি এবার কাকলির ছেলে প্রার্থী? তুঙ্গে জল্পনা

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ SIR ইস্যু থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক ED-র তল্লাশি, এই সব বিষয়কে সামনে রেখে রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদে নেমেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই কর্মসূচিতে দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে প্রায় সব সাংসদ-বিধায়ক এবং টলিউডের ছোট পর্দার একাংশ তারকাদের দেখা গেলেও অনুপস্থিত ছিলেন বারাসাতের বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী (Chiranjeet Chakraborty)। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন, তাই তাঁর অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জল্পনা।
প্রতিবাদ মঞ্চে অনুপস্থিত চিরঞ্জিত (Chiranjeet Chakraborty)
SIR ইস্যু ও ইডির তল্লাশির প্রতিবাদে তৃণমূলের সাম্প্রতিক কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ দলের প্রায় সব সাংসদ ও বিধায়ক। এমনকি টলিউডের ছোট পর্দার একাংশ তারকারাও সেখানে হাজির ছিলেন। কিন্তু ওই মঞ্চে দেখা যায়নি বারাসত বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী (Chiranjeet Chakraborty) কে।
সামনেই নির্বাচন, বাড়ছে জল্পনা
শুধু এই সভা নয়, সাম্প্রতিক সময়ে রাজনীতির ময়দানে চিরঞ্জিতকে (Chiranjeet Chakraborty) খুব একটা সক্রিয় দেখা যাচ্ছে না। এই অবস্থায় সামনেই নির্বাচন থাকায় প্রশ্ন উঠছে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে কি তিনি আদৌ তৃণমূলের টিকিট পাচ্ছেন? এই জল্পনাই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক অলিগলিতে।
দলীয় সভায় আমন্ত্রণ, তবু অনুপস্থিত
সোমবার তৃণমূল কংগ্রেসের একটি সভা ছিল। সেখানে চিরঞ্জিতকে (Chiranjeet Chakraborty) আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল বলেই দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে। তবে তিনি সেই সভায় উপস্থিত না থাকায় স্বাভাবিকভাবেই নানা প্রশ্ন উঠছে। বিষয়টি নিয়ে খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ বলেন, “নিমন্ত্রণ করা হয়েছিল। তিনি কেন আসেননি, সেটা বলতে পারব না।”
এই অনুপস্থিতির মধ্যেই বারাসাতজুড়ে শোনা যাচ্ছে অন্য এক নাম। এলাকায় কানাঘুষো, তৃণমূলের সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদারের ছেলে ডাক্তার বৈদ্যনাথ দস্তিদারকে প্রার্থী করা হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে এখনও দলের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।
আরও পড়ুনঃ বেলডাঙা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হাই কোর্ট, বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ
আগেই আশঙ্কার কথা বলেছিলেন চিরঞ্জিত
উল্লেখ্য, গত বছরই চিরঞ্জিত (Chiranjeet Chakraborty) নিজেই প্রার্থী হওয়া নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁর জনপ্রিয়তা কমেছে, আগের মতো ভিড় হয় না। সেই সঙ্গে বলেছিলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক করবেন আমি থাকছি কি না। তবে শেষপর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীকে বলব, আমাকে ছেড়ে দিন।” তিনি এও জানিয়েছিলেন যে, তিনি না দাঁড়ালেও ৩৫-৪০ জন বিকল্প প্রার্থী আছেন।



