বাংলা হান্ট ডেস্ক: শহরের কোলাহল ছেড়ে আপনি যদি প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে চান তাহলে অবশ্যই ঘুরে যেতে পারেন এই জায়গাটি। এখানে আসলে একদিকে যেমন আপনি প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন। অপরদিকে আপনি পাহাড়ের গ্রাম্য পরিবেশে উপভোগ করার সুযোগ পাবেন। আজকের প্রতিবেদনে রইল ডুয়ার্সের এমন পাঁচটি জায়গা যেখানে গেলে পরে আপনি প্রাণভরে প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন।
বর্ষার ডুয়ার্সে ঘুরে আসুন এই ৫ ঠিকানায় (Travel)
প্যারেন গ্রাম: ঘুরতে যেতেও ভালোবাসা না এমন মানুষ আপনি খুব কম পাবেন (Travel)। কিন্তু ঘুরতে যাওয়ার কথা বললেই সবার আগে মাথায় আসবে উত্তরবঙ্গের কথা। আর উত্তরবঙ্গ বললে দার্জিলিং এর কথা হয়তো ভাববেন। কিন্তু আজ আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব এমন একটি জায়গা যেখানে গেলে আপনি নিস্তব্দ গ্রাম্য জীবন উপভোগ করতে পারবেন। এই জায়গাটি আর কোথাও নয়। জায়গাটা হল ডুয়ার্সের প্যারেন গ্রাম।এখানে ঘুরতে আসলে পরে আপনি শহরের কোলাহল থেকে দূরে থাকতে পারবেন। পাশাপাশি উপভোগ করতে পারবেন গ্রাম্য জীবনের জীবনযাত্রা। তাছাড়া এটি ইন্দো ভুটান সীমান্তের কাছে অবস্থিত। পাশাপাশি এখানে আসলে পরে আপনি প্রাণভরে প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে পারবেন (Travel)।
আরও পড়ুন: পিঙ্ক সহেলি কার্ডের সুবিধা পেতে বদলাচ্ছে নিয়ম! ১ অগাস্ট থেকে কী কী পরিবর্তন, জেনে নিন
চালসা: ভ্রমণ প্রিয় মানুষদের কাছে যেকোনো জায়গায় ঘুরতে যাওয়াই এক আলাদা আনন্দের বিষয় (Travel)। তার ওপর আপনি যদি ভ্রমণ প্রিয়র পাশাপাশি প্রকৃতিপ্রেমী হন তাহলে আজকের প্রতিবেদনটা আপনার জন্য। কারণ আজকের প্রতিবেদনে এমন একটি জায়গার কথা রইল যেখানে আপনি পাবেন পাহাড়, জঙ্গলের মেলবন্ধন। এই জায়গাটি হল উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্সের স্বল্প পরিচিত জায়গা চালসা।এইখানে আসলে পরে আপনি শান্ত পরিবেশ ও ভোরের নির্জনতা উপভোগ করতে পারবেন প্রাণভরে। পাশাপাশি এখানে আসলে দেখতে পাবেন পাহাড়ি নদী কুর্তির বহমান। এছাড়াও এই নদীর ধারে বসে সময় কাটাতে পারেন প্রিয়জনের সঙ্গে।
বুড়িখোলা: ডুয়ার্সের শান্ত, ছিমছাম এই জায়গাটি অপরূপ সৌন্দর্যের অধিকারী। যেদিকেই তাকাবেন সেদিকেই বড় বড় মাঠ, গাছপালা। চোখ জুড়িয়ে যেতে বাধ্য আপনার। আর এই সৌন্দর্য দেখতে দেখতে আপনি পৌঁছে যাবেন বুড়ি খোলার হোমস্টে-তে। হোমস্টের সামনে দিয়েই বয়ে চলেছে পাহাড়ি নদী। সেখান দিয়ে হাতির পাল চলেছে, সেই দৃশ্যেও চোখে পড়তে পারে।
সিসামারা: ডুয়ার্সে রয়েছে জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান। তারই দক্ষিণ প্রান্ত দিয়ে বয়ে গিয়েছে সিসামারা নদী। তার নামেই এই জায়গার পরিচিতি। নদীর ধারেই তৈরি হয়েছে হোমস্টে-রিসর্ট। পর্যটকদের ভ্রমণতালিকায় ক্রমশ পাকাপাকি জায়গা করে নিতে শুরু করেছে এই স্থান। আলিপুরদুয়ার জেলার স্বল্পচেনা ঠিকানাটি ধীরে ধীরে পর্যটকমহলে জনপ্রিয়ও হচ্ছে। সিসামারা পৌঁছোনোর পথেই মন ভাল হয়ে উঠবে সবুজের ছোঁয়ায়। যাত্রাপথেই দেখা মিলবে চা-বাগিচার।
মূর্তি: বর্ষার মূর্তি আক্ষরিক অর্থেই পাগলপারা। গরমে সে নদী হেঁটে এপার-ওপার পার করা গেলেও, বর্ষায় তার কূলছাপানো জল। ডুয়ার্সের অন্যতম আকর্ষণ এই নদীটি। তাকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে পর্যটনকেন্দ্র। সরকারি অতিথিনিবাস তো আছেই। এখন সেখানে একাধিক ছোট-বড় রিসর্ট এবং হোমস্টে তৈরি হয়েছে (Travel)।