0%

বেড়েছে সেনসেক্স, তারপরও বাড়ছে না আপনার স্টকগুলো! আপনার পোর্টফোলিওতে ঠিক কোথায় সমস্যা?

ভারতের শেয়ার বাজার গত ১ বছরে বারে বারে ধাক্কা খেয়েছে। কিন্তু তারপরও ২০২৫ সালে ১২ শতাংশের কাছাকাছি রিটার্ন দিয়েছে এই বাজারই। এমনকি ২০২৬ সালে সর্বকালের সর্বোচ্চও ছুঁয়ে ফেলেছে নিফটি। কিন্তু আপনার পোর্টফোলিওতে থাকা স্টকগুলোর কী অবস্থা? বাজার চড়ছে, তারপরও কি বাড়ছে না আপনার শেয়ার?

সূচকের মায়া: কেন এই বিভ্রম?

আসলে সূচক বা ইনডেক্স ওপরে ওঠে কিছু ‘হেভিওয়েট’ শেয়ারের দাপটে। রিলায়েন্স বা এইচডিএফসি-র মতো বড় কোম্পানি ভাল ফল করলে নিফটি বা সেনসেক্স বাড়তে থাকে। কিন্তু আপনার কেনা ছোট বা মাঝারি শেয়ারটি হয়তো তখন ধুঁকছে। আর একে বলে ‘কনসেন্ট্রেটেড মার্কেট লিডারশিপ’।

গলদ কোথায়?

কোনও শেয়ারে বিনিয়োগ করতে হলে বেশ কিছু ক্ষেত্রে নজর রাখতে হয়। এর মধ্যে যেমন রয়েছে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের পছন্দ তেমনই রয়েছে সেই সব সংস্থার ফান্ডামেন্টাল। এমনকি বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশার উপর নির্ভর করেও অনেক ক্ষেত্রে শেয়ারের দাম।

  • সেক্টর রোটেশন: আপনি যে সেক্টরের শেয়ারে বিনিয়োগ করেছেন, বিনিয়োগকারীরা এই মুহূর্তে হয়তও সেই সেক্টর থেকে বিনিয়োগ সরিয়ে নিচ্ছে। ফলে, ধাক্কা খাচ্ছে আপনার শেয়ারটিও।
  • দুর্বল ফান্ডামেন্টাল: আপনি যে সংস্থায় বিনিয়োগ করেছেন, সেই সংস্থার ধার বাড়ছে না তো? লাভের অঙ্ক কি কমছে? এগুলো না দেখে বিনিয়োগ করলে কিন্তু বিপদ।
  • অবাস্তব প্রত্যাশা: অনেক সময় শেয়ারের দাম আগেই খুব বেড়ে থাকে। অর্থাৎ, সেই শেয়ারের পিই রেশিও অনেকটা বেশি। ফলে এই ধরনের শেয়ার আসলে ভাল ফলাফল করলেও তার দাম আরও বাড়ে না।

আপনি কী করবেন?

আতঙ্কিত হবেন না। লসে শেয়ার বিক্রি করার আগে কোম্পানির ব্যালেন্স শিট আর পিএন্ডএল রিপোর্ট দেখুন। এক বিশেষজ্ঞ বলেন, ‘মার্কেট যখন শুধু ঊর্ধ্বমূখী হয় বা নিম্নমূখী হয়, তখন পোর্টফোলিও ডাইভারসিফাই করা বা বিভিন্ন সেক্টরে টাকা ছড়িয়ে রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।’ বাজারের এই জোয়ারে গা ভাসানোর আগে নিজের পোর্টফোলিও ডাইভার্সিফাই করুন। এ ছাড়াও যদি আপনার চয়েস করা সংস্থা ভাল হয় তাহলে ধৈর্য ধরুন। তবে, কোম্পানির ব্যালেন্স শিট খারাপ হলে সেই কোম্পানির মায়া না বাড়ানোই ভাল।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker