0%

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ অব্যাহত, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক মোদির

পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতির প্রভাব পর্যালোচনা করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটির (সিসিএস) গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন, পীযূষ গোয়েল, কিরেণ রিজিজু, জে পি নাড্ডা, পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী এবং বন্দর, নৌপরিবহন ও জলপথ মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল-সহ স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা বিষয়ক বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ আমলারা।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও উপস্থিত ছিলেন এই বৈঠকে। সূত্রের খবর, আরব দুনিয়ার দ্রুত পরিবর্তনশীল উত্তপ্ত পরিস্থিতি এবং তার জেরে ভারতের জ্বালানি সুরক্ষায় সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে প্রশাসনিক মহলে। এহেন পরিস্থিতিতে দেশে অপরিশোধিত তেল ও জ্বালানির অবাধ জোগান বজায় রাখতে এই বৈঠক হয়। ভারতীয় নাবিকদের সুরক্ষার প্রতি সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও বৈঠকে উল্লেখ করা হয়। সারের মজুত পর্যাপ্ত বলে বৈঠকে উঠে এসেছে। এ বছরের রবি ও আগামী বছরের খরিফ মরসুমের জন্য যথেষ্ট সার পাওয়া যাবে। পিএনজি-র অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। যে কোনও অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমস্ত মন্ত্রক সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত বলে জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, আমেরিকা-ইরান শান্তিচুক্তি শিকেয় উঠেছে। গত দেড় সপ্তাহ ধরে নতুন করে ধুন্ধুমার যুদ্ধ চলছে। বৃহস্পতিবার জর্ডনে ইরানি হামলার বদলা নিয়েছে আমেরিকা। তেহরানে পরপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় মার্কিন বায়ুসেনা। ইরানের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, দেশের দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে একাধিক বিস্ফোরণের হয়েছে। হরমুজ প্রণালীর কেশম দ্বীপে তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, দ্বীপটির একটি জনবহুল এলাকাতেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। এছাড়া ভয়ংকর বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে বুশেহর শহরও। তবে এই হামলায় হতাহতের সংখ্যা স্পষ্ট না হলেও বহু মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।  

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker