0%

শীতকালে গিজার ব্যবহারের আগে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে

শীতকালে গিজার ব্যবহারের আগে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবেইমেজ ক্রেডিট: Pinterest

তাই শীতকালে গিজারে ঠাণ্ডা পানি পড়ে না (গিজার) আমাদের দৈনন্দিন জীবনে একটি অপরিহার্য হাতিয়ার। উষ্ণ জলে একটি আরামদায়ক স্নান দিনের একটি দুর্দান্ত শুরু করে। কিন্তু দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর শীতের শুরুতে গিজার চালানোর আগে কিছু প্রয়োজনীয় সতর্কতা ও সার্ভিসিং করা খুবই জরুরি। একটু অসাবধানতা বড় বিপদ এমনকি বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনাও ঘটাতে পারে।

শীতের শুরুতে, গিজার দীর্ঘক্ষণ এবং নিরাপদ রাখতে এই প্রস্তুতিগুলি করুন: –

1. পেশাদার পরিষেবা অবশ্যই: দীর্ঘ সময় ব্যবহার না করার পর, গিজারের ভিতরে গরম করার উপাদানে মরিচা বা ক্যালসিয়াম জমা (স্কেলিং) হতে পারে। ফলে পানি গরম করতে বেশি সময় লাগে এবং বিদ্যুৎ বিল বেড়ে যায়। শীত শুরু হওয়ার আগে একজন অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান দ্বারা নিয়মিত সার্ভিসিং করিয়ে নিন।

2. জল ছাড়া সুইচ অন করবেন না: গিজারে পানি না ভরে কখনই চালু করবেন না। এটি গরম করার উপাদানটি অতিরিক্ত গরম এবং দ্রুত ব্যর্থ হতে পারে এবং এমনকি একটি বড় দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে।

3. ওয়্যারিং এবং সকেট পরীক্ষা: গিজার একটি উচ্চ শক্তি খরচকারী যন্ত্র। সংযোগকারী তার বা সকেট পুরানো বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে শর্ট সার্কিট বা শক হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ভাল মানের আর্থিং আছে এবং তারগুলি নিরাপদ কিনা তা পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

4. থার্মোস্ট্যাট সেটিংস পরীক্ষা করুন: গিজারের তাপমাত্রা সব সময় সর্বোচ্চ মাত্রায় রাখার দরকার নেই। তাপমাত্রা 120 ডিগ্রি ফারেনহাইট (প্রায় 49 ডিগ্রি সেলসিয়াস) বা তার কাছাকাছি সেট করুন। এতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে এবং গরম পানি থেকে ত্বক পুড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমবে। গিজারে অটো-কাট বিকল্প না থাকলে, সঠিক থার্মোস্ট্যাট কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করুন।

5. সঠিক বায়ুচলাচল নিশ্চিত করুন: গ্যাস গিজারে বায়ুচলাচল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস তৈরি করতে পারে। এমনকি ইলেকট্রিক গিজার বা বাথরুমে লাগানো যেকোনো গিজারও স্নানের সময় এক্সজস্ট ফ্যান চালু রাখে।

6. ব্যবহারের আগে বন্ধ করুন: গোসলের সময় কখনোই গিজার অন রাখবেন না। পানি গরম হয়ে গেলে পাওয়ার পয়েন্ট বন্ধ করে দিন। তারপর গোসল করা শুরু করুন। এতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে এবং বিদ্যুৎ সংযোগে কোনো সমস্যা হলে শক হওয়ার ঝুঁকি কমবে।

7. জলের চাপ পরীক্ষা: গিজারে প্রেসার রিলিজ ভালভ থাকে। যদি এটি ত্রুটিপূর্ণ হয়, ট্যাঙ্কের ভিতরে বিপজ্জনক চাপ তৈরি হতে পারে। এই ভালভ সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষা করুন।

8. ফাঁসের জন্য পরীক্ষা করুন: গিজারের কোনো অংশ থেকে পানি বের হচ্ছে না কি না তা সাবধানে পরীক্ষা করুন। এমনকি সামান্য ফুটো বৈদ্যুতিক সংযোগের মাধ্যমে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ায়।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker