0%

ইরানে ব্যস্ত ট্রাম্প, অন্তরালে অন্তর্জালের যুদ্ধে আমেরিকাকে পঙ্গু করছেন কিম!

যখন ইরান যুদ্ধে ব্যস্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, সেই সময় কিম জং উনের অন্তর্জাল ডাকাতিতে জেরবার একাধিক আমেরিকান কোম্পানি। উত্তর কোরিয়ার (North Korea) হ্যাকাররা হাজার হাজার মার্কিন কোম্পানির সফটওয়্যারে আড়ি পাতছে। এবং সময়-সুযোগ বুঝে গায়েব করছে মিলিয়ান বিলিয়ান ক্রিপ্টোকারেন্সি।

সম্প্রতি সংবাদসংস্থা সিএনএন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সেখানে সাইবার বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মার্কিন কোম্পানিগুলির ক্রিপ্টোকারেন্সি ডাকাতির জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে কিম প্রশাসন। এর জন্য নিয়োগ করা হয়েছে উত্তর কোরিয়ার বাছাই করা হ্যাকারদের। এরা আমেরিকান সংস্থাগুলির সফটওয়্যারে ঢুকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। সেই অর্থই কিমের পারমাণু অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যয় করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:

North Korea hackers attempted crypto heist

জানা গিয়েছে, গত মঙ্গলবার সকালে তিন ঘণ্টার জন্য পিয়ংইয়ং-এর পোষা হ্যাকাররা ‘অ্যাক্সিওস’ নামের একটি মার্কিন সফটওয়্যারের অ্য়াডমিনের অ্যাকাউন্টে ঢুকে পড়ে। এর ফলে দেশজুড়ে ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। কারণ স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে অর্থায়ন, প্রায় প্রতিটি খাতের কোম্পানিগুলো তাদের ওয়েবসাইট তৈরি ও পরিচালনা সহজ করতে ‘অ্যাক্সিওস’ ব্যবহার করে থাকে। গুগলের মালিকানাধীন সাইবার গোয়েন্দা সংস্থা ‘ম্যান্ডিয়েন্ট’ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন উত্তর কোরিয়ান হ্যাকিং গোষ্ঠী এর জন্য দায়ী।

আরও পড়ুন:

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মার্কিন কোম্পানিগুলির ক্রিপ্টোকারেন্সি ডাকাতির জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে কিম প্রশাসন।

সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা ‘হান্ট্রেসে’র অন্যতম গবেষক জন হ্যামন্ড বলেছেন, তাঁর প্রতিষ্ঠান প্রায় ১২টি কোম্পানির ১৩৫টি হ্যাক হওয়া ডিভাইস শনাক্ত করেছে। যা দিনে-দুপুরে ডাকাতির ছোটখাটো চিত্র। ২০২৩ সালে হোয়াইট হাউসের একজন আধিকারিক বলেছিলেন, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির প্রায় অর্ধেক অর্থায়ন এই ধরনের ডিজিটাল চুরির মাধ্যমে করা হয়। গত বছর উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা এক ধাক্কায় ১.৫ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরি করেছিল। যা ছিল তখন পর্যন্ত নথিভুক্ত সবচেয়ে বড় ক্রিপ্টো হ্যাক।

গুগলের মালিকানাধীন আরও এক সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা ‘উইজ’-এর ‘স্ট্র্যাটেজিক থ্রেট ইন্টেলিজেন্সে’র পরিচালক বেন রিডের বক্তব্য, উত্তর কোরিয়ার সুনামের দায় নেই। ফলে ক্রিপ্টো ডাকাতির বিষয়টি প্রমাণিত হলেও তাদের কিছু এসে যায় না। একনায়ক কিম নিজের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রশ্ন হল, মার্কিন প্রসিডেন্ট যখন গোটা বিশ্বে দাদাগিরি করছেন, তখন কিমের বেলায় চুপ কেন?

আরও পড়ুন:

সর্বশেষ খবর

শেয়ার

লিংক

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker