উপনির্বাচনের আগে বড় চমক! সুখেন্দুশেখর, প্রকাশচিক ও সুস্মিতাকে দলে নিতেই প্রাথী করল BJP

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ লক্ষীবারে চমকে দিল রাজ্য বিজেপি। আজ বিকেলেই তৃণমূল থেকে বিজেপির দলে নাম লিখিয়েছিলেন প্রাক্তন সংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশচিক বরাইক। ২৪ ঘন্টাও কাটেনি তার আগেই রাত্রে রাজ্যসভার প্রার্থী (By-Election BJP Candidate) হিসাবে নাম ঘোষণা হল তিন নব বিজেপির। পশ্চিমবঙ্গের যে তিনটি কেন্দ্রে নির্বাচন হতে চলেছে সেখানেই ভোটে দাঁড়াচ্ছেন তাঁরা।
রাজ্যসভা ভোটার প্রার্থী ঘোষণা করে চমকে দিল বিজেপি
এদিন বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সল্টলেকের কার্যালয়ে। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশচিক বরাইকেরা। তাদের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দিয়ে বিজেপিই স্বাগত জানান শমীক। এর মাত্র কয়েক ঘন্টা যেতেই জানা যায় প্রাথী হচ্ছেন তিন প্রাক্তন তৃণমূলই। ইতিমধ্যেই এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।
জানলে অবাক হবেন,রাজ্যসভার যে তিনটি আসনে উপনির্বাচন হতে চলেছে। সেখানে এই তিন সংসদেরাই পদত্যাগ করেছেন গতমাসে তৃণমূল শিবির ছেড়ে বেরোনোর সময়। তাই অনেকেই এই তিন নেতাকে প্রার্থী করা হতে পারে ভাবতে পারেননি। তবে এবার জানা গেল, প্রার্থীরা একই রয়ে গেল শুধুমাত্র দল ও প্রতীক বদল হল। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ২৪ ঘন্টারও কম সময়ে পদপ্রার্থী হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ হাসপাতালে ভর্তি হলেই হাতে রঙিন ব্যান্ড! দালালরাজ বন্ধে বড় সিদ্ধান্ত সরকারের
কেন দলে নেওয়া ও প্রার্থী করা হল?
এদিন শমীক ভট্টাচার্যের করা মন্তব্য, ‘তৃণমূলের কেউ বিজেপিতে আসতে পারবেন না’ এর কথা তুলে উঠেছে বেশ কিছু প্রশ্ন। যার জবাবও দেওয়া হয়েছে। বিজেপির সল্টলেক দফতর থেকে এদিনের ঘটনাকে ব্যতিক্রমী বলা হয়েছে। কারণ, তৃণমূলে থাকালীন দুর্নীতির কথা জানতে পারলেও ভয়ে মুখ খুলতে পারেননি কেউ। তবে ক্ষমতার পালাবদল হতেই তাঁরা মুখ খুলেছেন। আর সেই কারণেই তৃণমূলে থেকে দুর্নীতিতে যারা জড়িয়ে পড়েননি তাদেরকে পাশে নিতে চাইছে বিজেপি। একথা আগেও জানায় হয়েছিল, তবে তাদের দলে নিয়েই প্রার্থী করা হবে ইটা জানানো হয়নি।
নবাগতদের এভাবে পদপ্রার্থী করার পিছনে যে কারণটি বিজেপি দেখছে সেটি হল, সুখেন্দুশেখর, সুস্মিতা ও প্রকাশচিকের মত নেতাদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বাংলায় বিজেপির অবস্থান আরও শক্তিশালী করে তুলবে। আশা করা হচ্ছে ১৪ জুলাইয়ের আগেই মনোনয়ন পত্র জমা করবেন সকলে। এরপর ২৪শে জুলাই নির্বাচনেই জানা যাবে ইস্তফা দিয়ে ফের জিততে পারবেন কি না পুরোনো প্রার্থীরা।



