0%

খেলার মাঠকে রাজনীতিমুক্ত করার শপথ নতুন ক্রীড়ামন্ত্রীর, নিশীথকে শুভেচ্ছা মোহনবাগানের

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী হচ্ছেন, সেটা দিন কয়েক আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। বাংলার নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী কে হবেন, সেটার জন্যই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল বাংলার ক্রীড়ামহল। সোমবার সরকারিভাবে ক্রীড়ামন্ত্রীর নাম ঘোষণা করে দেওয়া হল। বাংলার নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী হলেন নিশীথ প্রামাণিক। আর দায়িত্ব নিয়েই তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, বাংলার ক্রীড়াকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। একইসঙ্গে তিনি এটাও জানিয়ে দিয়েছেন, ক্রীড়াঙ্গনকে সম্পূর্ণ রাজনীতি মুক্ত করা হবে।

দায়িত্ব নেওয়ার পর নিশীথ বললেন, “বাংলার ক্রীড়াঙ্গনগুলো যাতে রাজনীতিমুক্ত হয়, সেটা আমাদের দেখতে হবে। এখানকার স্পোর্টস কমিটিগুলোতে পরিবারতন্ত্রের একটা ছায়া রয়েছে। স্পোর্টস সেক্টরগুলোকে সেই ছায়া থেকে মুক্ত করতে হবে। বাংলায় যে কোনও ক্রীড়াতেই প্রচুর প্রতিভা রয়েছে। অনেক সময় এটাও দেখা গিয়েছে, পর্যাপ্ত পরিচর্চার অভাবে সেই প্রতিভাগুলো অচিরেই নষ্ট হয়ে গিয়েছে। অনেকে আবার নিজের রাজ্য ছেড়ে ভিন রাজ্যে চলে গিয়েছেন।”

বাংলার নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী চান, তাঁদের জন্য প্রকৃত প্ল্যাটফর্ম দিতে। নিশীথ বলছিলেন, “রাজ্যে প্রচুর প্রতিভা রয়েছে। আমাদের তাঁদের সঠিক প্ল্যাটফর্ম দিতে হবে। পরিকাঠামো দিতে হবে। তাঁদের সবরকম সুবিধা দিতে হবে। কেন্দ্র এবং রাজ্য হাতে হাত মিলিয়ে স্পোর্টস ডেভলপমেন্টের জন্য দ্রুততার সঙ্গে কাজ করব। আজকে দায়িত্ব পেয়েছি। কাগজ দেখব, সবার সঙ্গে কথা বলে রুটম্যাপ ঠিক করব।” ক্রীড়া ও যুব কল্যাণের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্বও পেয়েছেন নিশীথ। এর আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসাবে কাজ করেছেন তিনি। সোমবার বাংলার ক্রীড়ামন্ত্রী হওয়ার পর নিশীথকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে মোহনবাগান।

প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে ১৫ বছরের তৃণমূল সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছে। তৃণমূলের হাত থেকে ক্ষমতা গিয়েছে বিজেপির কাছে। রাজ্যের দায়িত্বে এবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের একদা ঘনিষ্ঠ শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার নবান্নে একাধিক বৈঠক করেন তিনি। এদিনই শুরু হয়েছে দপ্তর বণ্টন প্রক্রিয়া। পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর, প্রাণী সম্পদ বিকাশ, কৃষি বিপণন দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছেন দিলীপ ঘোষ। অগ্নিমিত্রা পলকে দেওয়া হয়েছে নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তর, পুর বিষয়ক দপ্তর। খাদ্যমন্ত্রী হয়েছেন অশোক কীর্তনীয়া। আদিবাসী উন্নয়ন, অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ, সংখ্যালঘু উন্নয়ন, মাদ্রাসা বোর্ড এডুকেশন দপ্তরগুলি গিয়েছে ক্ষুদিরাম টুডুর হাতে।

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker