দ্রুত শেষ হবে ৫৫০০০ কোটির প্রকল্প, বাদল অধিবেশনে কড়া নির্দেশ শুভেন্দু অধিকারীর

বাংলা হান্ট ডেস্ক: সোমবার থেকেই রাজ্য বিধানসভায় শুরু হয়েছে বাদল অধিবেশন (Monsoon Session)। সেখান থেকেই এদিন রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে একগুচ্ছ ঘোষণা সেরেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। প্রসঙ্গত পালাবদলের বাংলায় নবগঠিত বিজেপি সরকারের বয়স সবে মাত্র একমাস। বিশেষজ্ঞদের মতে এই অল্প সময়েই অত্যন্ত দ্রুততার সাথে রাজ্যের প্রশাসনিক কাজকর্ম এগিয়ে নিয়ে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এরইমাঝে আজ তিনি সাফ জানালেন দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা বাংলার মোট ৫৫,০০০ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের প্রকল্পের কাজ দ্রুত বাস্তবায়িত করতে হবে।
জানা যাচ্ছে, বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে নানান ধরনের জটিলতার কারণে এই বিপুল অঙ্কের মোট ১২ টি প্রকল্পের কাজ আটকে রয়েছে। প্রশাসনিক কর্তাদের দাবি জমি অধিগ্রহণে বাধা, থেকে শুরু করে বিধিবদ্ধ অনুমোদন না দেওয়া তো আছেই এছাড়া অন্যান্য প্রশাসনিক অনুমোদনের একাধিক সমস্যার কারণেই এতদিন কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা ও কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলোর এই প্রকল্পগুলি এতদিন ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে।
তবে এবার বাংলার নব নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর তত্বাবধানে নতুন করে গতি পেতে চলেছে এই প্রকল্পের কাজ। জানা যাচ্ছে, সম্প্রতি এই বিষয়েই একটি উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই ওই অমীমাংসিত প্রকল্পগুলির জট কাটানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। প্রয়োজনে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে সমাধান করার পাশপাশি, সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় রেখে চলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ ২৫ লাখে ২ আর ৫ লাখে মাত্র ১৫০০০ দিয়েছে মমতা! শহীদ দিবসের আগে বড়সড় অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর
যেমনটা জানা যাচ্ছে, আটকে থাকা প্রজেক্টগুলির মধ্যে রয়েছে রাজারামবাটি থেকে হলদিয়া পর্যন্ত ১৬২ কিমির পাইপলাইন তৈরির কথা ছিল ২০২০ সালের ডিসেম্বরে। কিন্তু এখনও সেটা হয়ে হয়নি। যার ফলে প্রায় ২৫০০ কোটি টাকার এই প্রজেক্টটি থমকে রয়েছে। এদিকে জগদীশপুর থেকে হলদিয়া ও বোকারো থেকে ধর্মা পাইপলাইন ও বোকার থেকে ধৰ্ম পর্যন্ত পাইপলাইন প্রায় ১৭৪০৫ কোটি টাকার প্রকল্পও থেমে রয়েছে।
বর্তমানে রাজ্যের এই অমীমাংসিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে পরিবহন ও মহাসড়ক, তেল ও গ্যাস এবং কয়লাসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। আশা করা হচ্ছে, আগামীদিনে এই প্রকল্পগুলি বাস্তবায়িত হলে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি বাড়বে রাজ্যের কর্মসংস্থান। একইসাথে শক্তিশালী হবে রাজ্যের পরিকাঠামো।




