0%

পৃথিবীর এই ৭ জায়গা না ঘুরলে নিরর্থক রয়ে যায় জীবন, মনে করেন ভ্রমণপিপাসুরা

পৃথিবীর এই কয়েকটি জায়গা (unique places) না ঘুরলে বুঝি জীবন নিরর্থক লাগে ভ্রমণপিপাসুদের কাছে। এ অভিজ্ঞতার মূল্য নাকি সোনার চাইতেই দামি, বলেন অনেকেই। জাগতিক কোনও কিছুই তো আর সঙ্গে নিয়ে যাওয়া যাবে না, তা সে মহামূল্যবান হোক না কেন। বরং শেষ জীবনেও সঙ্গে রয়ে যাবে অভিজ্ঞতা। ভ্রমণ অভিলাষীদের ধনী করে তুলবে শরীরে-মনে।

ফিনল্যান্ডের ‘নর্দার্ন লাইটস’। পেরুর ‘ইনকা ট্রেল’। টার্কির হট এয়ার বেলুন রাইড। তাজমহলে সূর্যোদয়।

ফিনল্যান্ডের ‘নর্দার্ন লাইটস’
পৃথিবীর খুশিতম দেশ মনে করা হয় ফিনল্যান্ডকে। সেখানকার ল্যাপল্যান্ড এলাকায় সারারাত জেগে দেখতে পাওয়া যায় নর্দার্ন লাইটস, যার পোশাকি নাম অরোরা বোরিয়ালিস। সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ অবধি না-জানি কতবার সমুদ্র-নীল আকাশের বুকে এঁকেবেঁকে জ্বলে উঠবে সবুজ অথবা বেগনে রঙের মহাজাগতিক আলো।

পেরুর ‘ইনকা ট্রেল’
এককালে যেখানে ইনকাদের বসতি ছিল, পেরুর সেই মাচু-পিচুর আঁকাবাঁকা পথ ধরে হাঁটতে হাঁটতে পর্যটকের চার দিন কেটে যাবে! ক্লান্ত লাগলেও যাত্রা শেষে যখন পিছন ঘুরে তাকান যাবে, মনে হবে জীবন সার্থক, জন্ম সার্থক নিঃসন্দেহে!

তুরস্কের হট এয়ার বেলুন রাইড
উপত্যকাময় দেশটির আকাশজুড়ে অতিকায় হট এয়ার বেলুন চেপে ঘুরে বেড়ানো— যেন স্বপলোকে জেগে ওঠার সমান! কোনও রকমে শরীরের টাল সামলানোর মাঝেই উপর থেকে নিচে তাকিয়ে দেওয়া যায় দিগন্ত বিস্তৃত লাল-নীল-সবুজ কাপ্পাডোকিয়া শহর।

তাজমহলে সূর্যোদয়
হলদেটে সাদা এই ইমারত ভোরের সূর্যের আলোয় গোলাপি রং ধরে। ঐতিহাসিক এই স্মৃতিসৌধের সামনে দাঁড়ালে, কী ভীষণ সামান্য বলে মনে হবে মানবজীবন। যেন এই সৌন্দর্যের সামনে বাকি সমস্ত ফিকে।

নিউজিল্যান্ডের মিলফোর্‌ড ট্র্যাক
একই সঙ্গে রেনফরেস্ট, জলপ্রপাত, বনভূমি, মাঝখানে পায়ে হাঁটা পথ। ভ্রমণপ্রেমীরা বলেন, বিশ্বের শ্রেষ্ঠ পায়ে হাঁটা পথ নাকি এটিই! নীল আকাশের পটভূমিকায় নীল-সবুজ হ্রদ-বনাঞ্চলের সাজানো দৃশ্যপট। একবার দেখলে, জন্ম জন্মান্তরেও ভোলা দায়!

7 unique places on earth every traveller should have in bucket list
নিউজিল্যান্ডের মিলফোর্ড ট্র্যাক। জাপানের চেরি ব্লসাম। অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ।

জাপানের চেরি ব্লসাম
ফ্যাকাশে গোলাপি ফুলে ঢাকা গাছের পর গাছ দেখতেই জাপানের কিয়োটোতে পর্যটকদের ঢল নামে। গোটা শহরটাই যেন চাপা পড়ে ফুলের চাদরে, যার স্থানীয় নাম সাকুরা। ‘হানামি’ মরশুমে এই সাকুরা গাছের ছায়ায় বসে পিকনিক করতে পারার অভিজ্ঞতা বুঝি ভুলতে পারার মতো নয়।

অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ
মুখে স্নরকেলিং-এর পাইপ লাগিয়ে দক্ষ প্রশিক্ষকদের সঙ্গে জলের গভীরে ঝাঁপ দিয়ে পড়া! চোখ সয়ে যেতেই দেখতে পাওয়া যায় রংবেরঙের প্রবালের সাম্রাজ্য, মাছেদের সারি। কপালে থাকলে দেখা মিলবে কাছিমদেরও!

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker