রাজ্যে সঙ্কট, দিল্লিতে সব শক্তি নিয়ে ঝাঁপ মমতা-পন্থী তৃণমূলের, কী স্ট্র্যাটেজি দলের?

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিধানসভা ভোটে হারের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস কঠিন রাজনৈতিক পরিস্থিতির মুখে পড়েছে। তাই এখন শুধু রাজ্যে নয়, দিল্লিতেও নিজেদের উপস্থিতি বাড়ানোর চেষ্টা করছে দল। বিরোধী শিবিরের বিভিন্ন কর্মসূচি ও বৈঠকে যোগ দিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে আরও সক্রিয় হতে চাইছে তৃণমূল।
দিল্লিতে সক্রিয় হওয়ার পথে মমতার (Mamata Banerjee) তৃণমূল
বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের রাজনৈতিক অবস্থান আগের তুলনায় দুর্বল হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এই অবস্থায় দল এখন দিল্লির রাজনীতিতে বেশি গুরুত্ব দিতে শুরু করেছে। দলীয় সূত্রের খবর, বিরোধী দলগুলির বড় বড় কর্মসূচি ও বৈঠকে তৃণমূলের প্রতিনিধি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই সাংসদ সৌগত রায় ও সাগরিকা ঘোষকে দিল্লির বিভিন্ন রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে এবং সংসদ-সংক্রান্ত কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এদিকে কলকাতায় একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতিও চলছে জোরকদমে। তার পাশাপাশি দিল্লিতেও সক্রিয় থাকার বার্তা দিতে চাইছে তৃণমূল। আগামী ১৯ জুলাই কেন্দ্রের ডাকা সর্বদল বৈঠক এবং ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে দলের প্রতিনিধিরা যোগ দেবেন বলে জানা গিয়েছে।
একই দিনে জম্মু ও কাশ্মীরকে ফের পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে ফারুক আব্দুল্লাহর ডাকা কর্মসূচিতেও তৃণমূলের প্রতিনিধিরা থাকবেন। এছাড়া সোনম ওয়াংচুকের অনশন আন্দোলনের সমর্থনে আয়োজিত ‘পার্লামেন্ট চলো’ কর্মসূচিতেও অংশ নেবেন সাগরিকা ঘোষ। এর আগে তৃণমূল সাংসদ দোলা সেন দিল্লিতে গিয়ে সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দেখা করেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ফোনে তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ এক চেয়ারে দু’বছরের বেশি নয়! সরকারি অফিসারদের জন্য নতুন নিয়ম রাজ্যের
সোনম ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তৃণমূল। দলের নেতাদের দাবি, তাঁর কোনও ক্ষতি হলে তার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকেই দায় নিতে হবে। সব মিলিয়ে, রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই দিল্লিতে নিজেদের উপস্থিতি বাড়াতে এবং বিরোধী রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা নিতে চাইছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন তৃণমূল।




