শুধু টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নয়, বৈভবের বিশ্বজয়ের নেপথ্যেও রোহিতের মগজাস্ত্র! কীভাবে?

দেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি দলের অধিনায়ক ছিলেন। কিন্তু ভারতের আরও একটি দলের বিশ্বকাপ জয়ের নেপথ্য কারিগর ছিলেন রোহিত শর্মা। চলতি বছরেই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জেতে ভারত। সেই দলে ছিল বৈভব সূর্যবংশী, আয়ুষ মাত্রেরা। রোহিতের সঙ্গে এই দলের দূরদূরান্তে সম্পর্ক থাকার কথা নয়। তবু ভারতের ছোটদের বিশ্বজয়ের পিছনে ছিলেন হিটম্যান। কীভাবে?
অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক ছিলেন আয়ুষ। যিনি কি না মুম্বই দলে নিয়মিত সদস্য। ফলে রোহিতের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। তিনি বলছেন, “আইপিএলের পর আমাকে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক করা হয়। আমার কোনও ধারণা ছিল না কী করতে হবে। তাই আমি রোহিত ভাইকে মেসেজ করি। উনি আমাকে বলেছিলেন, যখন সময় পাব, আমি যেন ওঁকে ফোন বা মেসেজ করি। আমি আইপিএলের সময় ওঁর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম। উনি আমাকে পরে ফোন করেন। আমি রোহিত ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলাম। উনি আমাকে বাড়ি আসতে বলেন। সেখানে আমি ওঁর সঙ্গে অনেকক্ষণ কথা বলি।”
কী নিয়ে কথা হয়েছিল? বৈভবদের অধিনায়ক বলছেন, “রোহিত ভাই আমাকে খুব ভালো করে বুঝিয়ে দেন, অধিনায়কের কাজ কী? কীভাবে চাপ সামলাতে হয়? দীর্ঘক্ষণ ধরে উনি আমার সঙ্গে কথা বলেন। এরপর প্রায় আধঘণ্টা আমার বাবার সঙ্গেও কথা বলেন। উনি খুব বিনয়ী। যখনই দরকার পড়ে, তখনই ওঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়।”
২০২৫-এ চেন্নাই সুপার কিংসে ডাক পান আয়ুষ। তারপর থেকে দলের নিয়মিত সদস্য। প্রথমবার মহেন্দ্র সিং ধোনির সঙ্গে সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? আয়ুষ বলছেন, “মাহি ভাইকে প্রথমবার দেখে ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। এখনও একটু একটু ভয় পাই। উনি কিংবদন্তি। ওঁর সঙ্গে ছবি তুলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু কীভাবে বলব বুঝতে পারিনি। ট্রায়ালের শেষে ওঁর সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ পাই। তবে কোনও কথা বলতে পারিনি।”
শেয়ার
লিংক



