0%

বিদেশিদেরও আধার কার্ড হয়, তার মেয়াদ নাকি ১০ বছর!

বিদেশিদেরও আধার কার্ড!Image Credit: Getty Images

যে সব ভারতীয় বংশদ্ভূত ব্যক্তি বিদেশে থাকেন তাঁরাও ভারতে আধার কার্ড তৈরি করাতে পারেন। এই সব ব্যক্তিদের ভারত সরকার অপশন দেয় ওভারসিজ সিটিজেন অফ ইন্ডিয়া বা ওসিআই কার্ডের। বিদেশি পাসপোর্টের পাশাপাশি এই কার্ড কারও কাছে থাকলে সে ভিসা ছাড়াই ভারতে আসতে, ব্যবসা করতে বা জমি কিনতে পারবে। এমনকি এই ব্যক্তিরা ভারতের আধার কার্ডও তৈরি করাতে পারেন। অর্থাৎ, বিদেশি নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও কোনও ব্যক্তির আধার কার্ড থাকতেই পারে।

আধার কার্ডের মেয়াদ ১০ বছর!

ওসিআই কার্ডধারীদের জন্য আধার কার্ডের নিয়মে একটা বড় স্পষ্টতা এসেছে। কিন্তু প্রশ্ন একটাই, ওসিআই কার্ডধারীরা কি সারা জীবনের জন্যই আধার কার্ড পাবেন? এর উত্তর হল, না। আধার আইন বলছে, একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্যই এই আধার কার্ড তৈরি করা যায়।

আপনি আবেদন করতে পারবেন?

এই আইনের অধীনে আধার কার্ড পেতে গেলে প্রথম ও প্রধান শর্ত হল আপনাকে ভারতে বসবাসকারী হতে হবে। অর্থাৎ, আবেদন করার ঠিক আগের ১২ মাসের মধ্যে অন্তত ১৮২ দিন আপনাকে ভারতে থাকতে হবে। আর এই ১৮২ দিনের শর্ত পূরণ হলেই আপনি এই আধার কার্ড পাওয়ার যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। তবে হ্যাঁ, ভারতে সেই ক্ষেত্রে আপনার একটা নির্দিষ্ট ঠিকানা থাকতেই হবে।

আপনার জন্য কী কী ডকুমেন্ট লাগবে?

আধার তৈরি করার আগে আপনার সব ডকুমেন্ট রয়েছে কি না সেটা দেখতে হবে। এই ক্ষেত্রে ইউআইডিএআই খুব স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করেছে।

  • পরিচয় প্রমাণ: আপনার বৈধ OCI কার্ড এবং বৈধ বিদেশী পাসপোর্ট, দুটোই প্রয়োজন।
  • ঠিকানার প্রমাণ: বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট অথবা কোনও লিজ চুক্তি প্রয়োজন। যা থেকে আপনার নির্দিষ্ট ভারতীয় ঠিকানার প্রমাণ হিসাবে ব্যবহৃত হবে।
  • ইমেল: সাধারণ ভারতীয়রা আধার কার্ড করতে গেলে একটা চালু মোবাইল নম্বর বাধ্যতামূলক। কিন্তু ওসিআই কার্ডধারীদের জন্য একটি ইমেল আইডি দেওয়া ও ওটিপির মাধ্যমে তা যাচাই করাও বাধ্যতামূলক।

মেয়াদ ১০ বছর কেন?

সাধারণ ভারতীয় নাগরিকদের আধার কার্ডের কোনও মেয়াদ থাকে না। কিন্তু ওসিআই কার্ডধারীদের আধার কার্ডের একটা নির্দিষ্টি বৈধতা থাকে। যে দিন এই কার্ড চালু হয়, সেই দিন থেকে ঠিক ১০ বছর। তবে আধার কার্ড পেলেই কোনও ওসিআই কার্ডধারী কিন্তু ভারতীয় নাগরিকত্ব পাবেন বা ভোটের অধিকার পাবেন, এমন নয়। এই আধার কার্ড শুধুমাত্র কেওয়াইসি, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোল ও সিম কার্ড নেওয়ার মতো কাজে পরিচয়পত্র ও ঠিকানা প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker