দিয়েছিলেন ‘গো ব্যাক মোদী’ পোস্টার! পালাবদলের পর বেআইনি হোর্ডিং বন্ধের পদক্ষেপে বিপাকে তৃণমূল ঘনিষ্ঠ কেষ্ট সাহা

বাংলাহান্ট ডেস্ক : Banglahunt Exclusive: রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বিজ্ঞাপন ব্যবসার উপরেও এবার রাশ টানা হতে চলেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, কলকাতা (Kolkata) সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বেআইনি হোর্ডিং ব্যবসায় ইতি টানতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে সরকারের তরফে। বিশেষত শ্যামবাজার এলাকায় কারুকৃত অ্যাডভার্টাইজিং কোম্পানির বিরুদ্ধে বেআইনি হোর্ডিং এর ব্যবসা করে কোটি কোটি টাকা কামানোর অভিযোগ উঠেছে। সংস্থার মালিক কেষ্ট সাহার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ। এমনকি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরেও তিনি রয়েছেন বলে খবর।
কারুকৃত অ্যাডভার্টাইজিং সংস্থার (Kolkata) বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ
উল্লেখ্য, একুশের বিধানসভা ভোটের সময় কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায় থেকে বিজেপির একাধিক নেতৃত্ব তাঁকে বলেছিলেন, অর্থের বিনিময়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিজ্ঞাপনী হোর্ডিং লাগানোর জন্য। কিন্তু তা মানতে রাজি হননি কেষ্ট সাহা। উপরন্তু সেসময় মেয়র ববি হাকিম থেকে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অরূপ বিশ্বাস, দেবাশিস কুমারের কাছে কার্যত আত্মসমর্পণ করার অভিযোগ উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে।

বিজেপির বিজ্ঞাপন না দেওয়ার অভিযোগ: একুশের পর চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনের সময়ও নরেন্দ্র মোদীর একটি বিজ্ঞাপনও লাগানো হয়নি কেষ্ট সাহার সংস্থার তরফে। উপরন্তু শ্যামবাজার এলাকায় দাদাগিরির অভিযোগ রয়েছে কেষ্ট সাহা এবং তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। অথচ ছাব্বিশের নির্বাচনের পরেই ‘পাল্টি’। রাজ্য জুড়ে মোদীর ছবি এবং অভিনন্দন।
আরও পড়ুন : উদ্ধার সুইসাইড নোট, কী মিলল অনীক দত্তের প্রাথমিক ময়না তদন্তের রিপোর্টে?
বেআইনি হোর্ডিং বন্ধ সরকারের: প্রসঙ্গত, ২০২৬ এ নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেডে সভার দিন ‘গো ব্যাক মোদী’ পোস্টার দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল কারুকৃত অ্যাডভার্টাইজিং সংস্থার (Kolkata) বিরুদ্ধে। তৎকালীন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছিলেন, কেষ্ট সাহাকে দিয়ে তৃণমূল ‘গো ব্যাক মোদী’ পোস্টার লাগিয়েছে। বিজেপি ক্ষমতায় এসে বেআইনি হোর্ডিং বন্ধ করবে এবং কেষ্ট সাহার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে। রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও সরব হয়েছিলেন বেআইনি হোর্ডিংয়ের বিরুদ্ধে। অবশেষে ঘুরছে খেলা।
আরও পড়ুন : রবিবার ৮ ঘন্টা বন্ধ বিদ্যাসাগর সেতু, যানজট এড়াতে জানুন বিকল্প রুট
জানা যাচ্ছে, কারুকৃত সহ অন্যান্য সংস্থা যত বেআইনি হোর্ডিংয়ের থেকে টাকা তুলছে, সবার ফাইল খোলা হবে এবার। বেআইনি ভাবে কী করে এত হোর্ডিং লাগানো হচ্ছে তার তদন্ত হবে। বেআইনি অর্থ সব ফেরত দিতে হবে সরকারকে।
দ্বিতীয় পর্বে আসছে বিস্তারিত…




