Action against resort built on govt land in dooars

অবৈধ নির্মাণের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে শুভেন্দু অধিকারী সরকার! সেই মতো বিভিন্ন জায়গায় চলছে বুলডোজার। এবার প্রশাসনের নজরে ডুয়ার্স! জঙ্গলের মধ্যে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা রিসর্টগুলির বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করল প্রশাসন। অভিযোগ, গত কয়েক বছরে তৃণমূল নেতাদের অঙ্গুলিহেলনে একেবারে সরকারি খাস জমি দখল করে একাধিক রিসর্ট গড়ে উঠেছে। এমনই বেশ কিছু সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এবার মালবাজার মহকুমা প্রশাসনের মেটেলি ব্লকের একটি রিসর্টের জমি দখল নিল প্রশাসন। ঝুলিয়ে দেওয়া হল রাজ্য সরকারের বোর্ড।
জানা গিয়েছে, এর পিছনে কে বা কারা আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি কুর্তি নদীর তীর ঘেঁষে নির্মাণ হওয়ায় পরিবেশগত দিক থেকেও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে প্রশাসন।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মেটেলি ব্লকের মাটিয়ালী-বাতাবাড়ি ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত গোয়ালডাঙা গ্রামে, খরিয়ার বন্দর বিটের জঙ্গল এবং বাতাবাড়ি চা-বাগান সংলগ্ন এলাকায় প্রায় পাঁচ একর জমির ওপর ওই রিসর্টটি গড়ে ওঠে। ২০২২ সালে সেটির নির্মাণ করা হয়। অভিযোগ, সম্পূর্ণ জমিটিই সরকারি খাস জমি। নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তা করা হয়েছে। সরকারি খাস জমিতে কীভাবে রিসর্ট? অভিযোগ উঠতেই এদিন পদক্ষেপ করল মালবাজার মহকুমা প্রশাসন। জানা গিয়েছে, এর পিছনে কে বা কারা আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি কুর্তি নদীর তীর ঘেঁষে নির্মাণ হওয়ায় পরিবেশগত দিক থেকেও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে প্রশাসন।
মালবাজারের মহকুমা শাসক উৎকর্ষ খান্ডাল জানান, গত ১১ জুলাই রিসর্ট কর্তৃপক্ষকে জমি খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও সেই নির্দেশ মানা হয়নি। এরপর ভূমি দপ্তরের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে সরকারি জমির দখল নেন এবং সেখানে রাজ্য সরকারের বোর্ড লাগিয়ে দেন। প্রশাসনের এই পদক্ষেপের পর ডুয়ার্সের অন্যান্য রিসর্ট মালিকদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সরকারি জমি দখল করে গড়ে ওঠা বা নিয়মবহির্ভূত নির্মাণের বিরুদ্ধে আগামী দিনেও অভিযান চলবে বলে প্রশাসন সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।
অন্যদিকে বিজেপি নেতা দীপঙ্কর ধরের অভিযোগ, ”ডুয়ার্সে অবৈধভাবে ব্যাঙের ছাতার মতো রিসর্ট গড়ে উঠেছে। যেগুলির কোনও নথি পর্যন্ত ঠিক নেই।” শুধু তাই নয়, তৃণমূল নেতাদের অঙ্গুলিহেলনে আদিবাসী জমি দখল করে সেগুলি গড়ে উঠেছে বলেও দাবি বিজেপি নেতার। দীপঙ্কর ধরের দাবি, প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে বিজেপি সরকার নজর দিচ্ছে। অবৈধ হলেও ভাঙা পড়বে।
শেয়ার
লিংক



