0%

ইসকনের হাতে মিড-ডে মিল, রাঁধুনিদের চাকরি নিয়ে জল্পনায় ইতি! বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

বাংলা হান্ট ডেস্ক : কলকাতায় ইসকনের সহযোগিতায় মিড-ডে মিল প্রকল্পের নতুন পর্বের সূচনা করল রাজ্য সরকার (West Bengal Government)। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে কলকাতার সরকারি প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের উন্নত মানের খাবার পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মিড ডে মিল প্রকল্প নিয়েও একাধিক ঘোষণা করেন তিনি।

মিড ডে মিলের রাঁধুনিদের নিয়ে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর (Suvendu Adhikari)

এদিন মিড ডে মিল প্রকল্প উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, প্রথম পর্যায়ে কলকাতা পুর এলাকার ৫০০টি বিদ্যালয়ের প্রায় ৪৪ হাজার ছাত্রছাত্রী এই পরিষেবার আওতায় এসেছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে সেই সংখ্যা বাড়িয়ে প্রায় আড়াই লক্ষে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রাখা হয়েছে। সরকার মিড ডে মিলে ছাত্রপিছু ১০ টাকা বরাদ্দ করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তবে মুখ্যমন্ত্রী এও জানিয়েছেন ইসকনের নির্ধারিত খাদ্যতালিকা সেই বরাদ্দের মধ্যে বাস্তবায়ন করা সহজ নয়। বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “এটা দান নয়, এটা আপনাদের কর্তব্য।” ইসকনের মেনুতে ভাত, খিচুড়ি, পোলাও-সহ একাধিক পদ রাখা হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান।

মুখ্যমন্ত্রীর মতে, এই উদ্যোগ শিশুদের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। রান্নার কাজে যুক্ত কর্মীদের ভবিষ্যৎ নিয়েও আশ্বস্ত করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, কোনও রাঁধুনির কাজ বন্ধ হবে না। বরং ইসকনের রান্না ও খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থার সঙ্গে তাঁদের যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি তাঁদের মাসিক ভাতা ২,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩,০০০ টাকা করার কথাও ঘোষণা করেন। অনুষ্ঠানে উত্তরপ্রদেশে চালু মিড-ডে মিল ব্যবস্থার উদাহরণ টেনে মুখ্যমন্ত্রী জানান, পশ্চিমবঙ্গেও ধাপে ধাপে আরও উন্নত পরিষেবা চালুর চেষ্টা চলছে।

Suvendu Adhikari's big announcement for mid day meal cooks

আরও পড়ুন : এসআইআরে নাম নেই, এবার সেনসাসে কী হবে? CAA প্রসঙ্গে জল্পনার মাঝে বড় কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

বিরোধীদের উদ্দেশে সোমবার এসে খাবারের মান যাচাই করার আহ্বান জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ইসকনের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা স্মরণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সেবক শুভেন্দু অধিকারী’ হিসেবেই তিনি ভবিষ্যতেও এই ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের পাশে থাকবেন। তাঁর বক্তব্য, নতুন এই ব্যবস্থা চালু হলে সরকারি বিদ্যালয়ের মিড-ডে মিলের মানোন্নয়নের পাশাপাশি পড়ুয়াদের আরও স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker