TMC MP kakali ghosh dastidar may get crpf security from 18th

লোকসভায় তৃণমূলের মুখ্য সচেতকের পদ হারানোর পর ‘চার দশকের আনুগত্য’-র ফেসবুক পোস্ট ঘিরে যে রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হয়েছিল, তার মধ্যেই এবার নতুন করে চর্চায় বারাসতের সাংসদ ডা. কাকলি ঘোষদস্তিদার। সূত্রের খবর, ১৮ মে থেকে কেন্দ্রীয় সিআইএসএফের নিরাপত্তা পাচ্ছেন তিনি। আর সেই সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। বিশেষ করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে এই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার বিষয়টি মিলিয়ে দেখছেন অনেকেই।
এই বিষয়ে আরও খবর
সূত্রের খবর, ১৮ মে থেকে কেন্দ্রীয় সিআইএসএফের নিরাপত্তা পাচ্ছেন ডা. কাকলি ঘোষদস্তিদার। আর সেই সিদ্ধান্ত প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। বিশেষ করে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে এই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার বিষয়টি মিলিয়ে দেখছেন অনেকেই।
২০০৯ সাল থেকে টানা সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি তৃণমূলের পরিচিত মুখ। ছাত্র রাজনীতির সময় থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বৃত্তের নেত্রী হিসাবে পরিচিত ছিলেন তিনি। দিল্লির রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলেও তাঁর যোগাযোগ যথেষ্ট পুরনো বলেই জানা যায়। এরই মধ্যে গত ১৫ মে কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে তৃণমূল সাংসদদের বৈঠকের পর লোকসভায় দলের মুখ্যসচেতকের পদ থেকে সরানো হয় কাকলিকে। তাঁর জায়গায় ফেরানো হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সেই সিদ্ধান্তের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে কার্যত বিস্ফোরক পোস্ট করেন কাকলি। নিজের ফেসবুক পেজে তিনি লেখেন, ‘৭৬ থেকে পরিচয়, ৮৪ থেকে পথ চলা শুরু। ৪ দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।’ যদিও এহেন পোস্টে কারো নাম উল্লেখ করেননি তৃণমূল সাংসদ। কিন্তু রাজনৈতিক মহলের একাংশ ওই পোস্টকে রীতিমতো তাৎপর্যপূর্ণ বলেই দেখছে।
তবে তৃণমূল সাংসদ একা নন, কয়েকদিন আগেই সামাজিক মাধ্যমে দলের ‘নিষ্ক্রিয়তা’ নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন কাকলির ছেলেও। ফলে সাংসদের সাম্প্রতিক অবস্থান ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছিল। তার মধ্যেই এবার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পাওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নানা ব্যাখ্যা ঘুরতে শুরু করেছে। যদিও এ বিষয়ে বিতর্ক বাড়াতে চাননি সাংসদ নিজে। তিনি শুধু জানিয়েছেন, “জানা নেই, বলতে পারব না।” তৃণমূলের তরফেও এ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কেউ মুখ খোলেনি।
এই বিষয়ে আরও খবর
শেয়ার
লিংক



