ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় আমিরশাহীকে ‘আয়রন ডোম’ দিচ্ছে ইজরায়েল! ফের ঘনাচ্ছে যুদ্ধের মেঘ?

আপাতত বাতাসে বারুদের গন্ধ না থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যে টানাপোড়েন অব্যাহত। এই অবস্থায় ‘বন্ধু’ দেশ সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিজেদের সবচেয়ে শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘আয়রন ডোম’ (Iron Dome) পাঠাচ্ছে ইজরায়েল। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের মোকাবিলা করবে ইজরায়েলের এই অত্যাধুনিক ঢাল। প্রশ্ন উঠছে, নতুন করে যুদ্ধের মেঘ ঘনাতে পারে, সেই আশঙ্কাতেই কি আয়রন ডোম পাঠানোর সিদ্ধান্ত?
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে একসঙ্গে হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল ও আমেরিকা। এর পর পালটা মধ্যপ্রাচ্যের ইজরায়েল ও আমেরিকার বন্ধু দেশগুলিতে হামলা চালায় ইরান। জানা গিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আরব আমিরশাহীতে ৫৫০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দু’হাজারেরও বেশি ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। এর জেরে ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। সম্প্রতি এই বিষয়ে ইজরায়েল প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু নিজেই আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট মহম্মদ বিন জয়েদের সঙ্গে কথা বলেন। এর পরেই ‘বন্ধু’ দেশকে ‘আয়রন ডোম’ পাঠানোর উদ্যোগ নেয় ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।
আরও পড়ুন:
একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, আয়রন ডোম ছাড়া আরব আমিরশাহীতে সেনাও পাঠাচ্ছে ইজরায়েল। উল্লেখ্য, এই প্রথম কোনও দেশে নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করছে ইজরায়েল। শুধু তা-ই নয়, আমেরিকা এবং ইজরায়েল ছাড়া তৃতীয় দেশ হিসাবে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, ইজরায়েলের আয়রণ ডোম গোটা বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এর জেরেই বিভিন্ন সময়ে হামাস এবং ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালালেও তেল আভিভের খুব বেশি ক্ষতি হয়নি। আয়রন ডোম তার আশপাশে নূন্যতম ৪ কিলোমিটার থেকে সর্বোচ্চ ৭০ কিলোমিটার দূরত্ব থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে পারে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
শেয়ার
লিংক



