‘অর্থসচিবকে, অর্থমন্ত্রীকে বলেছি পুজোর..,’ DA ও পে কমিশন নিয়ে বিরাট ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

সবদিক নিউজ:প্রতিশ্রুতি মতো রাজ্যে প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটেই সরকারি কর্মীদের (Government Employees) মহার্ঘ ভাতা (Dearness Allowance) বা ডিএ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একধাক্কায় ২০% বৃদ্ধির অনুমোদন দিয়েছে রাজ্য সরকার। যার ফলে ৩৮% হারে ডিএ পেতে চলেছেন বাংলার সরকারি কর্মীরা। কিন্তু কবে? বাকি বকেয়ার কী হবে? এই নিয়ে ফের একবার স্পষ্ট বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
ডিএ ও পে কমিশন নিয়ে একাধিক ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর | Dearness Allowance
উল্লেখ্য, রাজ্য বাজেট পেশ করে জানানো হয়েছিল পয়লা অক্টোবর থেকে ৩৮% হারে ডিএ পেতে চলেছেন বাংলার সরকারি কর্মীরা। তবুও অনেকের প্রশ্ন ছিল, অক্টোবরে বর্ধিত ডিএ চালু হলে, ৩৮ শতাংশ ডিএ নভেম্বর থেকে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকবে নাকি অক্টোবরেই? এই বিষয়ে এদিন ভবানী ভবনে পুলিশের অনুষ্ঠান থেকে শুভেন্দু অধিকারী জানালেন, পুজোর আগেই বেতন ও ২০ শতাংশ ডিএ পাবেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা।
আগামী অক্টোবর মাস থেকেই ২০ শতাংশ হারে ডিএ কার্যকর হবে বলে আগেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য ও কেন্দ্রের DA-র ব্যবধান কমিয়ে আনা হবে এবং বকেয়াও ধীরে ধীরে মিটিয়ে দেওয়া হবে বলে সরকারি কর্মীদের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য সপ্তম পে কমিশন গঠন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে বেতন ও ভাতা সংক্রান্ত বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে নয়া পে কমিশন।
মুখ্যমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘আমি অর্থসচিবকে বলেছি, অর্থমন্ত্রীকে বলেছি। পুজোর মাসে পুজোর আগে অক্টোবরের বেতন দিতে ও ২০ শতাংশ অ্যাডিশনাল দিতে।’ মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আপনারা সপ্তম পে কমিশন পাননি। আমরা সপ্তম পে কমিশন তৈরি করেছি, কয়েকমাসের মধ্যে রিপোর্ট এসে গেলে আমরা কার্যকর করে দেব।’

আরও পড়ুন: DA বৃদ্ধির মধ্যেই ফের ‘উপহার’, এই সকল কর্মীদের ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
নতুন সরকার গঠনের পর পরই বাংলায় সপ্তম পে কমিশন গঠনে অনুমোদন দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যেই রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু হবে। ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আবার আগামী বছরের শুরু থেকেই সপ্তম পে কমিশন লাগু হওয়ার কথা। তা হলে নূন্যতম বেতন বাড়বে অনেকটাই। একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে, নয়া পে কমিশনের অধীনে আড়াই গুণ বাড়তে পারে বেসিক পে।




