0%

নাম যদি বাদ পড়ে তাহলে SIR-এর দরকার কী? নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্ব মনে করাল হাই কোর্ট

এসআইআর নিয়ে এবার নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্ন ছুড়ে দিল বম্বে হাই কোর্ট। সোমবার দুই বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি ছিল এসআইআর নিয়ে। সেখানেই উচ্চ আদালত প্রশ্ন ছুড়ে দেয় কমিশনের উদ্দেশে। দুই বিচারপতি জানতে চান, এসআইআরের মাধ্যমে যদি নাগরিকদের নামটা সরিয়েই দেওয়া হয় তাহলে এই বিরাট কর্মযজ্ঞের উদ্দেশ্য কী?

এসআইআর মামলায় ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে শুনানি চলছে। শীর্ষ আদালত নোটিস দিয়েছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে। তারমধ্যেই বম্বে হাই কোর্টে বিচারপতি বাল্মিকি মেনেজেস এবং বিচারপতি অমিত জামসান্দেকারের বেঞ্চে ওঠে এসআইআর মামলা। শুনানি চলাকালীনই দুই বিচারপতি মনে করিয়ে দেন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা। বেঞ্চ জানায়, “যোগ্য ভারতীয় নাগরিকদের নাম যেন ভোটার তালিকায় থাকে সেটা নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের কর্তব্য। কিন্তু আপনারা কী করছেন? নাগরিকদের নামই যদি ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ে তাহলে এই গোটা এসআইআর প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্যটা কী?”

কমিশনের কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন তুলে বেঞ্চ আরও জানায়, “এসআইআরের মাধ্যমে শুধু খসড়া তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ছে তা নয়। এতদিন পর্যন্ত যে ভোটার তালিকা ব্যবহার হয়েছে সেখান থেকেও বাদ দেওয়া হচ্ছে নাম। আপনাদের যুক্তি হল, এসআইআর চলছে বলে খসড়া তালিকাকেই গুরুত্ব দিতে হবে। কিন্তু এতদিন ধরে যে ভোটার তালিকা ব্যবহার হয়েছে সেটা এভাবে বাতিল করে দেওয়া যায় না।” যদিও এই পর্যবেক্ষণের পরেও বম্বে হাই কোর্ট কোনও রায় বা নির্দেশ দেয়নি। কারণ সুপ্রিম কোর্টেও এই ইস্যুতে শুনানি চলছে।

উল্লেখ্য, সোমবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পাশাপাশি দুই কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশীর কাছেও গিয়েছে সুপ্রিম কোর্টের নোটিস। ৬ নম্বর ফর্মে বদল কে করেছে? কমিশনের সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার উপর নেওয়া হয়েছিল কি না? সে বিষয়ে জবাব তলব করা হয়েছে। তবে জ্ঞানেশ কুমারকে সাসপেন্ড করার আর্জি স্পষ্ট ভাষায় খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালত পর্যবেক্ষণ, “শুধুমাত্র সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে এত বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। ফলে সাসপেন্ড করার কোনও যুক্তি নেই।” তবে এই মামলার পরবর্তী শুনানি কবে হবে জানা নেই।

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker