0%

পলিমার নোট আনার কথা ভাবছে RBI, কাগজের নোটের থেকে এটা কতটা আলাদা?

নয়া দিল্লি: জরাজীর্ণ নোটের দিন শেষ। এবার নোটে জল লাগলে বা পকেটে দুমড়ে-মুচড়ে ঢুকিয়ে রাখলেও কিছু হবে না। কাগজের নোটের (Paper Note) বদলে প্লাস্টিকের নোট (Plastic Note) আনার প্রস্তাবনা খতিয়ে দেখছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া (Reserve Bank of India)। যদি এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, তবে বাজারে শীঘ্রই আসবে পলিমার নোট। কতটা আলাদা এই নোট কাগজের নোটের থেকে?

কাগজের নোট কীভাবে তৈরি হয়?

কাগজের নোট নিয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক-কে যে প্রধান সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে, তা হল নোট ছাপানোর খরচ। কটন বা তুলা দিয়ে কাগজের নোট তৈরি হয়। এর মধ্যে মেশানো হয় জল, বিভিন্ন কেমিক্যাল। এর খরচ তো রয়েইছে। তার উপরে কাগজের নোটের আয়ুও বেশিদিন হচ্ছে না। বর্তমানে কাগজের নোটের উপরে একটি প্রোটেকটিভ লেয়ার বা স্তর দেওয়া হয়, তারপরও হাতের ঘাম, জল, বিভিন্ন কেমিক্যালের সংস্পর্শে এসে নোট নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। যথেচ্ছ ব্যবহারের কারণে জরাজীর্ণ হয়ে ছিঁড়ে যাচ্ছে।

পলিমার নোট কীভাবে তৈরি হয়?

পলিমার নোট (Polymer Notes) তৈরি হয় সিন্থেটিক পলিমার দিয়ে। এই নোট অনেক বেশি টেকসই হয়। জল, ধুলোতে কোনও ক্ষতি হয় না। ছিঁড়েও যায় না। এর আরও বড় একটি সুবিধা হল, পলিমার নোট জাল বা নকল করা সহজ নয়। সি-থ্রু প্লাস্টিক, তার উপরে লেখা থাকে। মেটাল ফিল্ম বিভিন্ন দিক থেকে বিভিন্ন রঙে দেখা যায়।  অতি-বেগুনি রশ্মিতে রিঅ্যাক্ট করে এই নোট। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, কাগজের নোটের তুলনায় আড়াই গুণ বেশি টেকসই হয় পলিমার ব্যাঙ্ক নোট।

কী সুবিধা পলিমার নোটে?

যদি পলিমার নোট ছাপানো হয়, তাহলে এই সমস্যা আর থাকবে না। জলে ভিজে যাওয়া বা নোট ছিঁড়ে যাওয়ার ভয় থাকবে না। অনেক বেশি টেকসই হবে এই নোট। বারবার নোট ছাপাতে হবে না আরবিআই-কে। এতে খরচ অনেকটা কমবে।

বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের রিপোর্ট অনুযায়ী, পাইলট প্রকল্প হিসাবে আরবিআই পলিমার ব্যাঙ্কনোট আনতে পারে। আরবিআই সবথেকে বেশি ৫০০ টাকার নোট ছাপায়। তারপরে ১০০ টাকার নোট ছাপানো হয়।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker