0%

পামপোশের পশমিনা ম্যাজিক, সুতোর নক্সায় গাঁথা কাশ্মীরের রূপকথা

আজ থেকে একশো বছর আগে, ১৯২৫ সালে মহম্মদ আবদুল্লা পামপোশের হাত ধরে জন্ম নিয়েছিল কাশ্মীরি কারুশিল্প তৈরির সংস্থা পামপোশ (PUMPOSH)। তার পর একের পর এক প্রজন্ম ধরে কাশ্মীরের একান্ত নিজস্ব সেই ঐতিহ্যকে বহন করে চলেছে পারিবারিক এই ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। কাশ্মীরি হস্তশিল্পের সঙ্গে পামপোশ আজ সমার্থক।

এই সাফল্যের পিছনে রহস্যটা কী? রহস্যটা হল, কাশ্মীরের মাটিতে বসে এক দল দক্ষ কারিগরের হাতে তৈরি হয় পামপোশের প্রতিটি শাল, গাউন, সিল্কের কার্পেট। প্রতিটি পণ্যের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে থাকে অসম্ভব ধৈর্য আর শতাব্দী প্রাচীন শিল্পকলার সুদক্ষ উত্তরাধিকার।

বাজারে এখন নকল কাশ্মীরি পশমিনার ছড়াছড়ি। কিন্তু পামপোশের পশমিনার উপরে আপনি চোখ বন্ধ করে ভরসা করতে পারেন। সততা আর গুণমানের সঙ্গে পামপোশ কোনও দিন আপস করেনি, করবেও না। পামপোশের প্রতিটি পণ্যেই আপনি পাবেন মৌলিকতার প্রতিশ্রুতি আর শতাব্দীপ্রাচীন অভিজ্ঞতা।

Pamposh (2)

এই মূলধনকে সঙ্গী করেই পামপোশ ভারত ও বিদেশের অসংখ্য গ্রাহকের আস্থা অর্জন করেছে, কাশ্মীরি হস্তশিল্পের জগতে হয়ে উঠেছে সুপরিচিত এবং সম্মানিত নাম। কলকাতায় এই সংস্থার শাখা রয়েছে নিউ মার্কেটে। যেখানে শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয় গোটা উত্তর-পূর্ব ভারত থেকেই ক্রেতারা আসেন তাঁদের মনের মতো কাশ্মীরি হস্তশিল্প সামগ্রী সংগ্রহ করতে। আর এই সূত্র ধরেই ভিন্ রাজ্যের সংস্কৃতি এবং রুচির সঙ্গে কাশ্মীরের সংযোগ আরও দৃঢ় করেছে পামপোশ।

Pamposh (1)

কাশ্মীরি হস্তশিল্পের ঐতিহ্যকে ধরে রাখার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের বিশ্বাস আর আস্থাই পামপোশের অনুপ্রেরণা। আপনি বিশ্বের যেখানেই থাকুন না কেন, কাশ্মীরের সেই ঐতিহ্যকে আপনি আপন করে নিতে পারেন www.pumposh.com-এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। এই ওয়েবসাইট থেকে আপনি ঘরে বসে সহজেই পেয়ে যাবেন পামপোশ সংস্থার সব পণ্য, যার প্রতিটির গায়ে জড়িয়ে রয়েছে কাশ্মীরের ভালবাসা।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker