0%

ফিরহাদের পদত্যাগের নেপথ্যে কে? বড় কথা বলে দিলেন সজল ঘোষ

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে টানাপোড়েন এবং সাংগঠনিক রদবদল নিয়ে জল্পনা যখন তুঙ্গে, তখন নতুন করে বিতর্ক উসকে দিলেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ (Sajal Ghosh)। ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ফিরহাদ নিজের ইচ্ছায় পদ ছাড়েননি। বরং তাঁকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে দলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও একাধিক মন্তব্য করেছেন তিনি।

সজল ঘোষের (Sajal Ghosh) বিস্ফোরক দাবি

সজল ঘোষের (Sajal Ghosh) দাবি, ফিরহাদ হাকিম বিজেপিতে যোগ দেওয়ার জন্য বা ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করেননি। তাঁর কথায়, তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই তাঁকে পদ ছাড়তে বাধ্য করেছেন।

বিজেপি বিধায়কের আরও বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নির্বাচনে হেরেছেন এবং সেই পরিস্থিতিতে দলের ভেতরে নানা সমীকরণ তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই ফিরহাদ হাকিমকে মেয়র পদে থাকতে দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

এদিকে সজল ঘোষ (Sajal Ghosh) যখন এই অভিযোগ করেন, তখনও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফের সর্বভারতীয় সভাপতির পদে বহাল করার ঘোষণা সামনে আসেনি। পরে তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অভিষেক নিজের পদেই থাকছেন। তবে একই সঙ্গে তাঁর বেশ কিছু সাংগঠনিক দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন এবং দোলা সেনের মধ্যে। দু’জনকেই সর্বভারতীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েও রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

অভিষেককে ঘিরে বাড়ছে জল্পনা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়িত্বের একটি অংশ অন্য নেতাদের হাতে তুলে দেওয়ার কারণ নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, বিভিন্ন মামলার কারণে তাঁর উপর চাপ বাড়ছে কি না। সেই কারণেই কি আগাম প্রস্তুতি হিসেবে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হল? যদিও এ বিষয়ে দলের তরফে কোনও মন্তব্য করা হয়নি, কিন্তু রাজনৈতিক চর্চা থামছে না।

আরও পড়ুনঃ ৫৮ বিধায়কের শক্তি প্রদর্শনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বড় মোড়! ‘দিদিকেই চাই’ বলে সরব একাধিক তৃণমূল বিধায়ক

অন্যদিকে সজল ঘোষ (Sajal Ghosh) সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেছেন। তাঁর দাবি, অভিষেকের কারণেই তৃণমূলের মধ্যে বিভাজন তৈরি হয়েছে। সজলের কথায়, অভিষেকই দলকে ভেঙে দিয়েছেন এবং বর্তমান সংকটের জন্য তিনিই দায়ী। এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শুরু হয়েছে চাপানউতোর।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker