মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ নিয়ে নাটকীয় মোড়, কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে লাগাম টানল সুপ্রিম কোর্ট

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য রাজনীতিতে বড়সড় মোড়। মুকুল রায়ের (Mukul Roy) বিধায়ক পদ খারিজ সংক্রান্ত কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে আপাতত লাগাম টানল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশে এই মুহূর্তে কার্যকর থাকছে না হাই কোর্টের নির্দেশ। ফলে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ নিয়ে জটিলতা কাটেনি, বরং মামলাটি এখন সর্বোচ্চ আদালতের বিচারাধীন।
মুকুল রায়ের (Mukul Roy) মামলায় হাই কোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ জারি করল সুপ্রিম কোর্ট
বর্তমানে মুকুল রায় (Mukul Roy) তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা হলেও তাঁর বিধায়ক পদ ছিল বিজেপির। সেই কারণেই তাঁকে দলবদল বিরোধী আইনের আওতায় অযোগ্য ঘোষণা করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট এবং বিধায়ক পদ খারিজের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই রায়ের উপর আপাতত স্থগিতাদেশ জারি করল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মুকুল রায়ের পুত্র তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শুভ্রাংশু রায়। তাঁর করা আবেদনের ভিত্তিতেই শুক্রবার এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ এই মামলায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করেছে। পাশাপাশি এই মামলায় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, অম্বিকা রায় এবং মুকুল রায় এই চারজনকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাঁদের চার সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ নন্দীগ্রামে সেবাশ্রয় ‘রাজনৈতিক শো’? ‘প্যারাসিটামল-ORS’ কটাক্ষে শুভেন্দু অধিকারী বললেন…
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে কলকাতা হাই কোর্ট মুকুল রায়কে (Mukul Roy) বিধানসভার সদস্যপদ থেকে অযোগ্য ঘোষণা করে। তিনি ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে কৃষ্ণনগর উত্তর আসন থেকে জয়ী হয়েছিলেন। তবে নির্বাচনের পরে বিজেপি ছেড়ে ফের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। এই দলত্যাগের বিষয়টিকেই সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে অযোগ্য ঘোষণা করেছিল। সুপ্রিম কোর্টের অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের ফলে আপাতত কলকাতা হাইকোর্টের সেই রায় কার্যকর হচ্ছে না। বিষয়টি এখন শীর্ষ আদালতেই বিচারাধীন থাকছে।



