রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের পোয়া বারো! মন্ত্রিসভার দ্বিতীয় বৈঠকেই নজরে DA, পে কমিশন

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ নজরে আগামী মন্ত্রীসভার বৈঠক। যেখানে আলোচনা হবে ডিএ (Dearness Allowance) ও সপ্তম পে কমিশন নিয়ে। প্রতিশ্রুতি ছিল, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মিলবে ডিএ, আসবে সপ্তম বেতন কমিশন। ইতিমধ্যেই একাধিক প্রতিশ্রুতি পূরণে উদ্যোগী হয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। এবার নজরে ডিএ।
সরকারি কর্মীদের DA ও বেতন কমিশন নিয়ে সিদ্ধান্ত শীঘ্রই | Dearness Allowance
কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে দিনের পর পর রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন সরকারি কর্মীদের একাংশ। তবে মমতা সরকারের আমলে আশা পূরণ হয়নি। এবার পালাবদল হয়েছে। গত সোমবার নবান্নে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠক থেকে ডিএ ইস্যুতে বার্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “পরবর্তী সোমবার আমরা মন্ত্রিসভার আরও একটি বৈঠক করব। আরজি কর-সহ নারী নির্যাতন, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, পে কমিশন, মহার্ঘ্য ভাতা (ডিএ), এরিয়ারের বিষয়ে আমরা ওই দিন আলোচনা করব।”
ভোটের আগে বিজেপির ইস্তেহার প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, সরকারি কর্মীদের ডিএ নিশ্চিত করা হবে বিজেপি ক্ষমতায় এলে। পাশাপাশি ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু হবে। নির্বাচনের আগে বিজেপির প্রতিশ্রুতি ছিল, ক্ষমতায় এলে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য ডিএ সুনিশ্চিত করা হবে। সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যে হবে সপ্তম পে কমিশন লাগু এবং ৬ মাসের মধ্যে অষ্টম বেতন কমিশন।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রাজ্যে এসে বলেছিলেন,’ সারা দেশে সরকারি কর্মীরা সপ্তম বেতন কমিশন পাচ্ছেন। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে এখনও ষষ্ঠ কমিশন চলছে।’ বিজেপি সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যে সপ্তম পে কমিশন আসবে বলে প্রতিশ্রুতি ছিল। এবার শুভেন্দু অধিকারী ডিএ ইস্যুতে ইঙ্গিত দিতেই আশায় বুক বাঁধছেন সরকারি কর্মী থেকে পেনশনভোগীরা। সকলের নজর এখন মন্ত্রিসভার পরবর্তী বৈঠকের দিকে।

আরও পড়ুন: বিধানসভায় প্রথম দিনেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর কক্ষে তৃণমূলের বিধায়কদের ভিড়, সৌজন্য না নতুন সমীকরণ?
গত ৫ ফেব্রুয়ারী তৎকালীন মমতা সরকার ১ এপ্রিল থেকে ৪ শতাংশ হারে বর্ধিত ডিএ-র ঘোষণা করেছিল। তবে সেই অর্ডার এখনও জারি হয়নি। তাহলে কবে মিলবে ৪ শতাংশ ডিএ? নাকি নতুন সরকার নয়া হারে ডিএ দেবে? চর্চা কর্মী মহলে।
উল্লেখ্য, বর্তমানে ৬০ শতাংশ হারে ডিএ পাচ্ছেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা। আর রাজ্যের কর্মীদের প্রাপ্ত ডিএ-র পরিমাণ ১৮%। সবমিলিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য ডিএ এর ফারাক ৪২ শতাংশ। খুব শীঘ্রই কী এই ব্যাবধান কমছে? মুখ্যমন্ত্রীর পরবর্তী বৈঠকের দিকে নজর সরকারি কর্মীদের।



