0%

রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাক্টেটিয়াকে ধ্বংস করবে এআই প্রযুক্তির তৈরি ভাইরাস – সবদিক

এআই প্রযুক্তি বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি আজ আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। এআই প্রযুক্তির বুদ্ধিদীপ্ত ব্যবহারে অনেক কঠিন কাজও আজ সহজ হয়ে উঠেছে। আর্থিক লেনদেন, চিকিৎসা, সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি ক্ষেত্রে, লেখাজোকা, পড়াশোনা, বিউটি টিপসে হরদম এআই প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। আজকাল বিজ্ঞান ও এআই প্রযুক্তি হাত ধরাধরি করে চলে। এক সময় যা বইয়ের পাতায় লিপিবদ্ধ থাকত সেই সব কঠিন বৈজ্ঞানিক গবেষণা আজ বিজ্ঞানীরা তুড়ি মেরে করে ফেলছেন এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে। যেমন, ক্যালিফোর্নিয়ার একদল বিজ্ঞানী ল্যাবরেটরিতে এআই প্রযুক্তির সাহায্যে ‘Evo-ø2147’ নামক ভাইরাস তৈরি করেছেন।

নজিরবিহীন এই গবেষণায় প্রমাণিত যন্ত্রও প্রকৃতির মতো কিন্তু প্রকৃতির চেয়ে তাড়াতাড়ি বায়োলজিক্যাল সিস্টেম তৈরি করতে পারে। আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও পালো আল্টায় আর্ক ইনস্টিটিউটে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে Evo-ø2147 নামক ভাইরাস তৈরি করেন ২ বিজ্ঞানী স্যামুয়েল কিং ও ব্রায়ান হাই।
এআই প্রযুক্তি নির্ভর ভাইরাস Evo-ø2147 জিনোম সিকুয়েন্স একেবারে আলাদা। প্রাকৃতিক ভাইরাসের মতো মিউটেশন হয় না। ব্যাক্টেরিওফাজের টেমপ্লেট অনুসরণ করে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি ২৮৫ নতুন ভাইরাল জিনোম তৈরি করেছে। এর মধ্যে ১৬টি নতুন এআইয়ের তৈরি ভাইরাস রোগ সৃষ্টিকারী E.coli ব্যাক্টেরিয়াকে ধ্বংস করতে পেরেছে।

২ বিজ্ঞানী Evo2 নামক অত্যাধুনিক এআই সিস্টেম ব্যবহার করেন। ১ লাখ কোটি ডিএনএ বেস পেয়ার নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এই Evo2 নামক অত্যাধুনিক এআই সিস্টেমকে তৈরি করা হয়েছে। Sidewinder নামক নতুন পদ্ধতির মাধ্যমে ২ বিজ্ঞানী ল্যাবরেটরিতে অনেক তাড়াতাড়ি ও সহজে কৃত্রিম ভাইরাস তৈরি করেন। বিজ্ঞানীদের দাবি, গবেষণার সময় এআই প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি ভাইরাস অনেক দ্রত E.coli ব্যাক্টেরিয়ার কোষের ভেতরে ঢুকে তা ধ্বংস করে দেয়। ফলে ব্যাক্টেরিয়া বিস্তার করতে পারে না। এআই প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি ভাইরাস মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয় তা ব্যাক্টেরিয়াকে ধ্বংস করতেই তৈরি করা হয়েছে।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker