0%

‘সমালোচনা না হলে মজাটাই পাই না’, অবসর জল্পনা উড়িয়ে নিন্দুকদের একহাত রোহিতের

দিনচারেক আগেই তাঁকে একেবারে ‘প্রাক্তন’ করে দেওয়া হয়েছিল। ক্রিকেটমহল ধরে নিয়েছিল, লর্ডসেই তাঁর আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে ইতি। কিন্তু নিন্দুকদের মুখে ছাই দিয়ে সেই রোহিত শর্মা ফিরেছেন স্বমহিমায়। একমাত্র ভারতীয় হিসাবে লর্ডসে হাঁকিয়েছেন সেঞ্চুরি। তারপরই একেবারে ধন্যধন্য শুরু হয়েছে হিটম্যানকে নিয়ে। শুভমান গিলও স্পষ্ট জানিয়েছেন, রোহিতের অবসর নিয়ে তিনি কিচ্ছুটি জানেন না।

রবিবার লর্ডসের ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামে বহু প্রশ্নের জবাব দেওয়ার ছিল রোহিতের। দিন কয়েক ধরেই সংবাদমাধ্যমে শোনা যাচ্ছিল, এই ম্যাচটাই নাকি রোহিতের কেরিয়ারের শেষ ম্যাচ। এরপর নাকি তাঁকে আর জাতীয় দলের জার্সিতে খেলার সুযোগই দেওয়া হবে না। একপ্রকার বাধ্যতামূলকভাবে অবসরে পাঠানো হবে। শেষ ১০ ম্যাচে তাঁর ব্যাটে সেভাবে রান আসেনি। তাই চাপটা ছিল পাহাড়প্রমাণ। কিন্তু তাঁর নাম রোহিত শর্মা। চাপের মুখে নতিস্বীকার করতে কোনওকালেই শেখেননি তিনি। বরং যখনই তাঁর কেরিয়ার নিয়ে, দলে তাঁর জায়গা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, সপাটে পুল করে সেসব প্রশ্নকে মাঠের বাইরে ফেলেছেন। যেমনটা রবিবার করলেন।

কেবল ঝোড়ো মেজাজে সেঞ্চুরি নয়, গোটা তিনেক রেকর্ডও গড়েছেন। ভারতীয়দের মধ্যে সবচেয়ে বয়স্ক ক্রিকেটার হিসাবে সেঞ্চুরির মালিক এখন তিনি। আগে এই রেকর্ড ছিল শচীন তেণ্ডুলকরের দখলে। ইংল্যান্ডের মাটিতে এটি রোহিতের অষ্টম সেঞ্চুরি। যা কিনা নির্দিষ্ট একটি দেশে কোনও বিদেশি ক্রিকেটারের করা সর্বাধিক সেঞ্চুরি। এবং অবশ্যই লর্ডসের মাটিতে কোনও ভারতীয়র করা এটিই প্রথম শতরান। তবে রোহিতের একঝাঁক নজিরের পরেও সিরিজ হেরেছে ভারত। তারপর গিলের সাফ কথা, অবসরের জল্পনা ছড়িয়েছে সংবাদমাধ্যমই। এই নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।

আর হিটম্যান নিজে কী বলছেন? স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে রোহিতের জবাব, “যখন অভিষেক হয়েছে তখন থেকেই আমাকে নিয়ে চর্চা চলে। যতদিন থাকব ততদিন চর্চা চলবে। আসলে এটা থাকা উচিত। আলোচনা না চললে ঠিক মজাটা আসে না। আমার কাজ মাঠের মধ্যে, ওদের কাজ বাইরে। এটা ধরে নিয়েই এগিয়ে চলি।” হিটম্যানের কথায় স্পষ্ট, আপাতত ভারতীয় দলে তাঁর জায়গা নিয়ে সন্দেহের কোনও অবকাশই নেই।

শেয়ার

লিংক

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker