0%

বিদায়বেলায় ‘পাকাকথা’! কোনওটায় কমল, কোনওটা একেবারে শুল্কমুক্ত, ‘বড় দাঁও’ ইউনূসের

ঢাকা: বাণিজ্য়মহলে নয়াদিল্লির জন্য় উদ্বেগ, কাঁধের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে ঢাকা। অন্তর্বর্তী সরকারের বিদায়বেলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বড় চুক্তি স্বাক্ষর যমুনা ভবনের। কমল শুল্কের পরিমাণও। সেই নিয়ে নিজের সমাজমাধ্যমে পোস্ট করলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

সোমবার পারস্পরিক শুল্ক নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ঢাকা। যার আওতায় এবার থেকে আমেরিকায় রফতানি হওয়া বাংলাদেশি পণ্যে ২০ শতাংশ নয়, বরং ১৯ শতাংশ শুল্ক চাপাবে হোয়াইট হাউস। সম্প্রতি বেশ কিছু ভারতীয় পণ্য়ে ছাড় এবং মোট শুল্কের পরিমাণ কমিয়ে ১৮ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। স্বাক্ষর হয় অন্তর্বর্তী বাণিজ্যিক সমঝোতা। এবার তার কিছু দিন পরেই বাংলাদেশের সঙ্গে শুল্ক-সমঝোতা সেরে ফেলল হোয়াইট হাউস।

এদিন পাকাপাকি ভাবে চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাংলাদেশের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দিন বলেন, “এই চুক্তি আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে এক নতুন অধ্য়ায়ের সূচনা ঘটাবে। বাংলাদেশ এবং আমেরিকার বাজারে উভয়পক্ষে পণ্যের উপস্থিতি বাড়বে।”

উল্লেখ্য, বাণিজ্য়ের স্বার্থে বিশ্বজুড়ে বস্ত্র রফতানি করে থাকে বাংলাদেশ। আমেরিকা, ইউরোপের মতো পশ্চিমী দেশগুলি তাঁদের প্রধান বাজার। কিন্তু দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর সেই পথেই কাঁটা ফেলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাংলাদেশের উপর এক ধাক্কায় ৩৭ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছিলেন তিনি। তবে গত অগস্ট মাসে সমঝোতার মাধ্যমে সেই শুল্ক কমে নেমে আসে ২০ শতাংশে। এবার তা নেমে এল ১৯ শতাংশে। পাশাপাশি, বেশ কিছু পণ্যকে একেবারে শুল্কমুক্ত করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও মিলেছে।

এদিন হোয়াইট হাউস তরফে জারি করা বিবৃতি বলা হয়েছে, বাংলাদেশি বস্ত্র শিল্প সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি পণ্যকে একেবারে শুল্কমুক্ত করে দেওয়া হবে। কিন্তু নির্দিষ্টভাবে কোন পণ্যগুলি শুল্কমুক্ত হবে, তা স্পষ্ট করেনি উভয়পক্ষ।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker