0%

শীতের কামব্যাক ও খামখেয়ালি আবহাওয়া: সর্দি-কাশি থেকে দূরে থাকতে ৫টি অব্যর্থ ঘরোয়া টোটকা – সবদিক

কলকাতা: বসন্তের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে হাড়কাঁপানো শীতের পুনরুত্থান। সকালে হালকা রোদ তো রাতে কনকনে ঠান্ডা— আবহাওয়ার এই খামখেয়ালি রূপেই এখন কাবু অধিকাংশ মানুষ। ঘরে ঘরে বাড়ছে কাশি, গলা ব্যথা আর জ্বরের প্রকোপ। এই পরিস্থিতিতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং প্রাথমিক অস্বস্তি কাটাতে ভরসা রাখতে পারেন আপনার রান্নাঘরের ৫টি ঘরোয়া উপাদানের ওপর।

১. আদা ও মধু: প্রাকৃতিক অ্যান্টি-বায়োটিক

কাশি কমাতে আদা ও মধুর মিশ্রণ যুগ যুগ ধরে পরীক্ষিত। আদায় রয়েছে প্রদাহবিরোধী (anti-inflammatory) উপাদান এবং মধু ব্যাকটেরিয়া বিনাশ করতে সাহায্য করে। এক চামচ আদার রসের সঙ্গে সমপরিমাণ মধু মিশিয়ে দিনে দু’বার খেলে গলার খুসখুসে ভাব এবং কাশির তীব্রতা দ্রুত কমে।

২. তুলসী পাতার রস

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে তুলসীকে মহৌষধ বলা হয়। সর্দি ও বুকে কফ জমে গেলে তুলসী পাতার রস বিশেষ কার্যকর। হালকা গরম জলে তুলসী পাতা ফুটিয়ে চা হিসেবে পান করতে পারেন অথবা এর রসের সঙ্গে সামান্য গোলমরিচ মিশিয়ে খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

– বিজ্ঞাপন –

৩. লবঙ্গ ও দারুচিনি

গলা ব্যথার সমস্যায় লবঙ্গ ও দারুচিনি দারুণ কাজ করে। এক টুকরো লবঙ্গ মুখে রাখলে গলার জ্বালাভাব কমে। এছাড়া দারুচিনি গুঁড়ো করে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে ঠান্ডার দাপট অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

৪. নুন-জলে গার্গল ও গরম ভাপ (Steam)

গলা বসে যাওয়া বা বন্ধ নাক খুলতে গরম জলের ভাপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। দিনে অন্তত দু’বার নুন-মিশিয়ে হালকা গরম জলে গার্গল করলে গলার সংক্রমণ ছড়াতে পারে না। এটি গলার কফ পরিষ্কার রাখতেও সাহায্য করে।

৫. পর্যাপ্ত জল ও পুষ্টিকর খাবার

আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা খুব জরুরি। ফ্রিজের জল এড়িয়ে ইষদুষ্ণ জল পান করুন। ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল (যেমন আমলকী বা লেবু) এই সময় ডায়েটে রাখুন, যা শরীরের ইমিউনিটি বাড়াতে সাহায্য করবে।

সতর্কবার্তা: ঘরোয়া উপায়ে ৩-৪ দিনের মধ্যে সুস্থতা না ফিরলে বা জ্বরের মাত্রা বাড়লে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker