মিলবে ৩০০০! অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের জন্য লম্বা লাইন বারাসাতে, তারপরই যা হল…

বাংলা হান্ট ডেস্ক : অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Scheme) সুবিধা পেতে গিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। আধার ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংযুক্তিকরণের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে বহু মানুষকে। সিএএ সংক্রান্ত কাজে রাজ্যের খাদ্য ও সমবায়মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া বারাসাতে এসে তিনি লক্ষ্য করেন ডাকঘরের বাইরে লাইন পড়েছে। খোঁজ নিয়ে তিনি জানেন, অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার সংযুক্ত করতে বহু মানুষ সেখানে ভিড় করেছেন। সকাল থেকেই প্রবল ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয় সাধারণ মানুষকে। এই দেখেই তড়িঘড়ি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেন মন্ত্রী।
অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Scheme) নিয়ে কী নির্দেশ অশোক কীর্তনিয়ার ?
অন্নপূর্ণা যোজনায় আধার সংযুক্তিকরণের জন্য কেউ দূর গ্রাম থেকে এসেছেন, আবার কাউকে একাধিকবার ব্যাঙ্কে ঘুরতে হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি বুঝে পোস্ট অফিসের সুপারিন্টেন্ডেন্টের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন তিনি। মন্ত্রীর স্পষ্ট নির্দেশ, আধার লিঙ্ক করানোর কাজে এসে যেন কোনও মানুষকে অযথা সমস্যার মুখে না পড়তে হয়। দ্রুত পরিষেবা স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও বলেন তিনি।
সূত্রের খবর, এই পরিষেবার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন কর্মী বর্তমানে প্রশিক্ষণে রয়েছেন। তাঁরা ফিরে এলেই অতিরিক্ত কাউন্টার চালু করা হবে। ফলে পরিষেবা আরও দ্রুত দেওয়া সম্ভব হবে এবং ভিড়ও অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, উত্তর ২৪ পরগনার বহু বাসিন্দা সিএএ-র জন্য আবেদন করেছেন। সেই আবেদন যাচাইয়ের কাজ চলছে বারাসাতের প্রধান ডাকঘরে। তবে অভিযোগ, পর্যাপ্ত কর্মী ও কাউন্টার না থাকায় সাধারণ মানুষকে বারবার ডাকঘরে আসতে হচ্ছে। এই নিয়ে ক্ষোভও বাড়ছিল স্থানীয়দের মধ্যে। সেই খবর পেয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে নিজেই পোস্ট অফিসে পৌঁছে যান মন্ত্রী।
এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অশোক কীর্তনিয়া বলেন, “অন্নপূর্ণা যোজনার যে আধার লিঙ্কের কাজ চলছে, সেটা গোটা পশ্চিমবঙ্গেই চলছে। আমাদের সরকারের পলিসি ছিল, এই আধার লিঙ্ক করা আর লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে অন্নপূর্ণা যোজনায় ট্রান্সফার করা। সেই সিস্টেমের জন্যই ভিড় হয়েছে।”

আরও পড়ুন : ‘১০০ দিনের মধ্যে শিল্পক্ষেত্রে ধামাকা’, বড় কথা বলে দিলেন শমীক ভট্টাচার্য
সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এড়াতে অশোক কীর্তনিয়া বলেন, “যেহেতু এখানে মাত্র ২ টো কাউন্টার। আমি পোস্ট মাস্টারকে অনুরোধ করলাম কাউন্টার বাড়াতে। আমি অন্য কাজে এসেছিলাম। কিন্তু আমরা তো মানুষের সুখ, দুঃখের সাথী। সুপারিন্টেন্ডেন্ট বলেছেন, যাঁদের ট্রেনড আছে, তাঁরা দুপুরে আসবেন। তখন আরও কাউন্টার চালু করা হবে।” মন্ত্রী আরও জানান, সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ করবে। অতিরিক্ত কাউন্টার চালু হলে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হবে বলেও আশাবাদী তিনি।



