0%

Petrol-Diesel Price: কবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমবে? অবশেষে উত্তরটা দিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

কবে কমবে পেট্রোল-ডিজেলের দাম?Image Credit: PTI

নয়া দিল্লি: ইরান-আমেরিকার সংঘাত (Iran-US War) থেমেছে, বিশ্ব বাজারেও দাম কমেছে অপরিশোধিত ক্রুড তেলের (Crude Oil)। এই আবহে সকলের একটাই প্রশ্ন, দেশে পেট্রোল-ডিজেলের দাম (Petrol-Diesel Price) কবে কমবে? অবশেষে এর উত্তর দিলেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী (Hardeep Singh Puri)।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বলেন যে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের আবহে বিশ্ব বাজারে যখন ক্রুড তেলের দাম বেড়েছিল, সেই সময়ও কম দামে পেট্রোল-ডিজেল ও এলপিজি বিক্রি করার জন্য গত ৩০ জুন পর্যন্ত ৭৪ হাজার ৭৮১ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলির। আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড তেলের দাম কমে গেলেও, কোম্পানিগুলি এখনও চড়া দামে কেনা ক্রুড তেল প্রসেসিং করছে।

শীঘ্রই পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমানোর ঘোষণা করা হবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী বলেন যে আগামী কয়েক সপ্তাহও যদি তেলের দাম কম থাকে, তবে এই  প্রশ্ন যুক্তিযুক্ত হবে। তিনি বলেন, “আমরা দুই মাস আগে যে ক্রুড পেট্রোলিয়াম কিনেছিলাম (তখন চড়া দাম ছিল), সেই স্টক-ই এখনও ব্যবহার করছি। যদি এভাবেই দুই-তিন মাস দাম কমতে থাকে, তবে আমরা দেখব। তবে এটা অনুমানভিত্তিক পরিস্থিতি (Hypothetical Situation)। ”

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রসঙ্গে তিনি তুলে ধরেন যে উন্নত বিশ্বের দেশগুলিতে এই সঙ্কটের সময় পেট্রোলের দাম আনুমানিক ২০ শতাংশ বেড়েছে। ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলিতে ৩৫ শতাংশ দাম বেড়েছিল, সেখানেই ভারতে সঙ্কটকালে পেট্রোলের দাম বেড়েছিল মাত্র ৫.৫৮ শতাংশ।

তিনি বলেন, “গত চার মাসে (২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে জুন মাসের শেষভাগ অবধি) আমরা ১ লক্ষ ৭ হাজারের রিটেল আউটলেটে কোনও ড্রাইআউট বা বন্ধ রাখা হয়নি।”

গত ১ জুলাই বেসরকারি জ্বালানি সংস্থা নায়রা এনার্জি পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি পাঁচ টাকা এবং ডিজেলের দাম লিটার প্রতি তিন টাকা কমিয়েছে। এরপরই দেশের বাকি অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলির উপরে চাপ তৈরি হয়েছে পেট্রোল-ডিজেলের দাম কমানো নিয়ে। এই নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী বলেন, “নায়রা পেট্রোলের দাম কমিয়েছে কারণ তারা আগেই পাঁচ টাকা বাড়িয়েছিল। ওরা সেই মূল্যবৃদ্ধিটাই কমিয়েছে। অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলি সেই সময়ে দাম বাড়ায়নি।”

প্রসঙ্গত, ইরান-আমেরিকার যুদ্ধের সময় আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১১০ ডলারে পৌছেছিল। সেই সময়ে দেশের অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলি পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ায়নি, মূল্যবৃদ্ধির পুরো বোঝাটাই তাদের বইতে হয়েছিল।  দৈনিক প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা করে ক্ষতির মুখে পড়েছিল অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলি।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker