CEC Gyanesh Kumar: কে আসল তৃণমূল? মুখ খুললেন স্বয়ং জ্ঞানেশ কুমার

আসল তৃণমূল নিয়ে কী বললেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার?Image Credit: TV9 Bangla
নয়াদিল্লি ও কলকাতা: কারা আসল তৃণমূল? কালীঘাট তৃণমূল? নাকি ঋতব্রত তৃণমূল? দুই শিবিরের লড়াই পৌঁছে গিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনে। এবার আসল তৃণমূল নিয়ে মুখ খুললেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। একইসঙ্গে বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে সব অভিযোগ করেছেন, তা নিয়েও মুখ খুললেন। বাংলায় সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচন নিয়েও বড় দাবি করলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।
কী বললেন জ্ঞানেশ কুমার?
শুক্রবার দিল্লির ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ডেমোক্রেসি অ্য়ান্ড ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট (IIIDEM)-এ সাংবাদিক বৈঠক করে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সাংবাদিক বৈঠকে ৩৬টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সাংবাদিকরা ছিলেন। সেখানেই আসল তৃণমূল কারা, তা নিয়ে জানতে চাওয়া হয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে। কে আসল তৃণমূল, এই প্রশ্ন এড়িয়ে কৌতূহল বজায় রাখলেন জ্ঞানেশ কুমার। তিনি বলেন, “আমি জানি না কে আসল তৃণমূল আর কে ভুয়ো তৃণমূল। তবে সংবিধান অনুযায়ী কাজ করবে কমিশন।”
বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে কী বললেন জ্ঞানেশ?
পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরনোর পর একাধিক অভিযোগে সরব হয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। সব অভিযোগ উড়িয়ে জ্ঞানেশ কুমারের বক্তব্য, বাংলায় ছাব্বিশের নির্বাচনে বুথ দখল ও বুথ জ্যামের ঘটনা ঘটেনি। তাঁর কথায়, “কোথায় বুথ দখল হয়েছে? কোথায় বুথ জ্যাম হয়েছে? তা যদি হত, তা হলে ৯৩.৭ শতাংশ ভোটদানের হার সম্ভব হত না। এর আগে এরকম নির্বাচন দেখেনি পশ্চিমবঙ্গ।”
অস্ট্রেলিয়ার প্রসঙ্গ উত্থাপন করে জ্ঞানেশ কুমার বলেন, “অস্ট্রেলিয়ায় ভোটদান বাধ্যতামূলক হওয়ার পরও ৯১ শতাংশ ভোট পড়েছে। পশ্চিমবঙ্গে তার চেয়েও বেশি ভোট পড়েছে। এতে স্পষ্ট করে মানুষের নির্বাচন প্রক্রিয়ার উপর আস্থা রয়েছে। আর এই ভোটদানের হার এটাই প্রমাণ করে যে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছ হয়েছে।”
তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন কমিশন সংবিধান এবং আইন মেনে কাজ করেছে, কোনও রাজনৈতিক দলের প্রভাবে কাজ করেনি। এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, “আমি কারও ইচ্ছানুযায়ী কাজ করিনি। আইন মেনেই কমিশন প্রত্যেকটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” তিনি জানিয়ে দেন, অন্য রাজ্যগুলিতে নিয়ম মেনে যেভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গেও সেটাই হয়েছে।



