Kalyan Banerjee: ‘১৭ মিনিট হয়েছে… রোদ না থাকলে ২৭ মিনিট কথা বলতাম’, কল্যাণের সঙ্গে কী এত কথা, বলে দিলেন শমীক

শমীকের সঙ্গে কথা কল্যাণেরImage Credit: TV9 Bangla
নয়া দিল্লি: সংসদে দুই ভিন্নদলের সাংসদের মধ্যে কথোপকথন কোনও অভূতপূর্ব ঘটনা নয়। সহকর্মী হিসেবে কথা তো হতেই পারে। তবে পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে যেভাবে প্রত্যেকদিন নতুন নতুন সমীকরণ সামনে আসছে, যে গতিতে রঙ বদলাচ্ছেন নেতারা, তাতে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Kalyan Banerjee) সঙ্গে বিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের (Shamik Bhattachrya) সাক্ষাৎ ঘরি জল্পনা স্বাভাবিক। তার উপর আবার বুধবারই বাদল অধিবেশন থেকে সাসপেন্ড হয়েছেন কল্যাণ।
এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া আরামবাগের সাংসদ মিতালি বাগ সম্পর্কে অসংসদীয় মন্তব্য করার অভিযোগে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বুধবার ধ্বনিভোটে পাশ হয় কল্যাণকে সাসপেন্ড করার প্রস্তাব। এরপর বেরিয়ে যেতে হয় তাঁকে। তারপরই সংসদকক্ষের বাইরে শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে কল্যাণকে হ্যান্ডশেক করতে দেখা যায়। এরপর একপাশে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন দুজন। কী কথা শোনা না গেলেও ঘড়ির কাঁটা বলছে, ১৭ মিনিট কথা হয় দুজনের। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে মূল প্রতিপক্ষ বিজেপির রাজ্য সভাপতির কী এমন কথা থাকতে পারে! বাড়ে জল্পনা।
এই বিষয়ে শমীককে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “আমি তো সবার সঙ্গে কথা বলি। কথা বলায় তো বারণ নেই। এর সঙ্গে দলবদলের কী সম্পর্ক!” ‘আপনাদের প্রায় ১৭ মিনিট কথা হয়’, সাংবাদিকের মুখে এ কথা শুনে শমীক বলেন, “২৭ মিনিট কথা হলে ভালো হত। ওদিকে রোদ ছিল তাই কথা বলা যাচ্ছিল না। নাহলে আর একটু কথা হত।” কী নিয়ে কথা দুই নেতার? শমীকের সাফ জবাব, রাজনীতি নিয়ে নয়। তাঁর দাবি, ব্যক্তিগত জীবনের তাপ-উত্তাপ নিয়ে কথা হয়েছে, সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা হয়েছে তাঁদের।
অন্যদিকে, কল্যাণের সাসপেনশন সম্পর্কে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “লোকসভার গরিমা নষ্ট হলে ব্যবস্থা তো নেওয়া হবে। তবে একটাই কথা বলব, পারিবারিক ঝামেলা এখানে নিয়ে আসবেন না।”



