‘DA টা অ্যাজেন্ডার..,’ রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের নয়া পে কমিশন আসতেই বিরাট দাবি

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ প্রতিশ্রুতি মতোই রাজ্যে এসেছে সপ্তম পে কমিশন (7th Pay Commission)। সোমবার মন্ত্রীসভার বৈঠকের পর মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানালেন, রাজ্য সরকারি কর্মীদের (State Government Employees) জন্য গঠন করা হচ্ছে সপ্তম পে কমিশন। রাজ্য সরকারি কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই পে কমিশন। নয়া বেতন কমিশন নিয়ে সোমে সুখবর এলেও শুভেন্দু অধিকারীর সরকার উচ্চবাচ্য করেনি মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ নিয়ে। এই নিয়েই হতাশ সরকারি কর্মীদের একাংশ।
পে কমিশনের পাশাপাশি দাবি ডিএ নিয়েও | 7th Pay Commission
বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার দেড় সপ্তাহের মধ্যেই শিক্ষক-শিক্ষিকা সহ রাজ্যের সব সরকারি কর্মীদর জন্য সপ্তম পে কমিশনের অনুমোদন দিয়েছে। তবে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ বা মহার্ঘ ভাতা (Dearness Allowance) দেওয়ার বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি এখনও। গতকাল এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ।
সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভাস্করবাবু বলেন, “আমাদের লড়াইটা কেবল ডিএ কেন্দ্রিক ছিল না। আমাদের লড়াইটা ছিল শূন্যপদে স্থায়ী নিয়োগ, অস্থায়ী কর্মচারীদের স্থায়ীকরণ সমস্ত কিছুই ছিল। সরকার বলেছিল যে গত ক্যাবিনেটের পর যে সাংবাদিক বৈঠক হয়েছিল তারা জানিয়েছিলেন যে পরবর্তী ক্যাবিনেটে তারা ডিএ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। আজকে আমরা জানতে পারলাম ডিএ টা নাকি অ্যাজেন্ডার মধ্যে ছিল না। তারা সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করেছেন।”
তার কথায়, “সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করা এবং তা লাগু করার মধ্যে কতটা সময় লাগবে তা আমরা কিছু জানি না। সপ্তম বেতন কমিশন কোন কোন বিষয়গুলিকে নিয়ে কাজ করবে আমরা সেটাও জানি না। খুব শীঘ্র এর কোনো আর্থিক প্রভাবও সরকারের উপর পড়ছে না। কেন্দ্রের সাথে বা অন্যান্য রাজ্যের সাথে আমাদের ডিএ-র যে পার্থক্য আকাশ-জমিনে দাঁড়িয়েছে, ভোটের আগে তারা যখন বিরোধী ছিলেন এই বিষয় নিয়ে সরব হয়েছিলেন, তাদের কাছে তো আশা থাকবেই যে তারা যত দ্রুত সম্ভব সেই বিষয়গুলিকে পূর্ণতা দেওয়ার দিকে নিয়ে যাবেন।”

আরও পড়ুন: ইসলামপুরা পাল্টে কৃষ্ণনগর, বাবরি মসজিদ চক হল জৈন মন্দির! পাকিস্তানে বদলাল একাধিক স্থানের নাম
পাশাপাশি ভাস্করবাবুর আর্জি, “আমরা ধৈর্য রাখছি যে আগামী কোনো বৈঠকে বকেয়া ডিএ-র বিষয়টিকে সামনে নিয়ে আসবেন এবং কার্যকরী ভূমিকা গ্রহণ করবেন। সরকার কীভাবে কাজ করতে চাইছে কর্মচারী হিতে এবং রাজ্যের অন্যান্য বিষয়গুলিকে নিয়ে আমাদের সাথে বৈঠকে বসুক, খোলামেলা আলোচনা হোক। পূর্বতন সরকারের মত সরকারি কর্মীদের দরজা বন্ধ করে দেওয়ার রাস্তা যাতে না হয়।”



