Decomposed body of teenager recovered after 2 days in South Dinajpur

বন্ধুর ডাকে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ। দু’দিন পর রেললাইন সংলগ্ন জলাশয়ে উদ্ধার কিশোরের পচাগলা দেহ। বৃহস্পতিবার উদ্ধার হয়েছে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রের পচাগলা দেহ।জলাশয়ে স্নান করতে নেমে ওই পডুয়া ডুবে গিয়েছিল বলে দাবি বন্ধুর। কিন্ত ভয়ের কারণে সে এই ঘটনা চেপে রেখেছিল বলে জানিয়েছে।
এরপরই প্রশ্ন উঠেছে শুধু ভয় নাকি, পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে সেই প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি তুলেছে মৃতের পরিবার। তবে এখনও কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুরে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই ছাত্রের নাম আরমান রহমান। সে বুনিয়াদপুর পুরসভার বরাইল মসজিদ এলাকার বাসিন্দা। গত মঙ্গলবার দুপুরে স্কুল থেকে ফেরার পর এক বন্ধু তাকে ডাকতে আসে। বেরিয়ে পরে সে। কিন্ত দুপুর গড়িয়ে সন্ধ্যা হলেও আরমান ফেরেনি। পরিবারের লোকজন চারিদিক তন্নতন্ন করে খোঁজ চালান। কিন্ত হদিশ মেলেনি। এরপর আরমানের সেই বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে খোঁজ করেন সকলে। কিন্ত সেই বন্ধুও জানায় আরমান তাকে বাড়িতে রেখে চলে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে বুনিয়াদপুর থিঙ্গুর রেললাইন সংলগ্ন জলাশয়ে আরমানের দেহ ভেসে থাকতে দেখা যায়। তারপরই মুখ খুলেছে তার বন্ধু। খবর পেয়ে বংশীহারী থানার পুলিশ ও রেল পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বালুরঘাট পাঠিয়েছে।
মৃতের আত্মীয় রুকসানা বেগম জানান, “প্রোজেক্ট তৈরির নাম করে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। আর ফেরেনি। সে দিন ওই বন্ধুর বাড়িতেও গিয়েছিলাম আমরা। কিন্ত সে সাফ জানিয়েছিল কিছুই জানে না। কিন্ত এখন সে বলছে তারা স্নান করার সময় আরমান জলে ডুবে গিয়েছিল। পুলিশ পুরো ঘটনা তদন্ত করলেই আসল সত্য সামনে আসবে।” প্রশ্ন উঠছে আরমান ডুবছে দেখেও বন্ধু কাউকে কিছু জানায়নি কেন? বাড়িতে ফিরে এসেও কাউকে কিছু বলেনি কেন? স্রেফ ভয় নাকি পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে। সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
শেয়ার
লিংক



