0%

El Niño India Monsoon: El Nino ঢুকছে ভারতে, জুন থেকেই বর্ষায় বিরাট ঘাটতি! সেপ্টেম্বরে আরও ভয়ঙ্কর দশা…

প্রচণ্ড গরমে প্রাণ ওষ্ঠাগত হবে।Image Credit: PTI

নয়া দিল্লি: বর্ষা নিয়ে আরও দুঃসংবাদ শোনাল মৌসম ভবন(IMD)। ৮ শতাংশ নয়, বর্ষায় ১০ শতাংশ কম বৃষ্টির পূর্বাভাস দিল মৌসম ভবন। এল নিনো(El Nino)-র প্রভাবেই এই ঘাটতি হবে। বড়সড় ধাক্কা খেতে পারে আমন ধানের চাষ। কোথায়, কত কম বৃষ্টি হবে, তার পূর্বাভাস দিল মৌসম ভবন।

ভারতে আছড়ে পড়তে চলেছে এল নিনো। তাও আবার বর্ষার সময়েই। এর ফলে দেশে তুলনামূলকভাবে অনেকটাই কম বৃষ্টি হবে। মৌসম ভবনের ডিজিএম ডঃ মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানিয়েছেন, বিগত তিন বছরের মধ্যে এই বছরই সবথেকে কম বৃষ্টিপাত হতে পারে। এবারে বর্ষাকালে স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টি হবে।

কবে এল নিনো আছড়ে পড়বে?

এল নিনো জুন মাসেই আসতে চলেছে, তবে তা শুরুতে দুর্বল হবে। এমনটাই জানিয়েছেন মৌসম ভবনের ডিজিএম ডঃ মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র। জুলাইয়ের মাঝামাঝি ও অগস্ট থেকে এর শক্তি বাড়বে ধীরে ধীরে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে এল নিনো পূর্ণ শক্তি ধারণ করবে। ভারত তথা বিশ্ব জুড়েই প্রবল দাবদাহ হবে এল নিনোর প্রভাবে। অনেক রাজ্যেই খরার সৃষ্টি হবে। জলের জোগানেও প্রবল ঘাটতি দেখা দিতে পারে বলেই সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

রাজ্যে প্রভাব-

যদি রাজ্যের কথা বলা হয়, তাহলে প্রায় গোটা বাংলাতেই স্বাভাবিকের তুলনায় কম বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।তবে বাংলাদেশ লাগোয়া কিছু জেলায় স্বাভাবিক বৃষ্টির পূর্বাভাস। বর্ষার শুরুতেই হোঁচট খাওয়ার আশঙ্কা, জুনে বাংলা-সহ গোটা দেশে কম বৃষ্টির পূর্বাভাস। বৃষ্টি কম হওয়ায় জুনে গরমও বেশি থাকবে।

এল নিনো কী?

এল নিনো হল আবহাওয়াগত ঘটনা, যেখানে মধ্য ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরের উপরিভাগের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটা বেড়ে যায়। এর প্রভাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সহ বিশ্বের একাধিক অংশে গরম ও শুষ্ক জলবায়ু তৈরি হয়।

গোটা পৃথিবীর আবহাওয়ার  বড় অংশ নির্ভর করে প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রার উপর। মহাসাগরের জলের উপরিভাগ ঠান্ডা হওয়ার প্রক্রিয়াকে বলে ‘লা নিনা’। এর প্রভাবে অতিবৃষ্টি বা তীব্র শীতের সাক্ষী হয় পৃথিবী। আবার প্রশান্ত মহাসাগর যদি উষ্ণ হয়ে যায়, তাকে বলা হয় ‘এল নিনো’। এর প্রভাবে অনাবৃষ্টি, খরা, প্রবল তাপপ্রবাহ হয়।

এল নিনোর প্রভাব-

মৌসম ভবন আগেই বলেছিল, ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপিন্সের মতো দেশ, যেখানে জনসংখ্যা বাকি দেশের তুলনায় অনেকটা বেশি, সেখানের নাগরিকরা তীব্র গরমে কষ্ট পেতে চলেছেন বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে। জুন মাসের শুরুতেই এল নিনো আসার কথা ছিল। সেই পূর্বাভাসই সত্য়ি হচ্ছে। ডঃ মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানিয়েছেন, আগামী কয়েক মাসে এল নিনো আরও শক্তিশালী হবে।

নাসার উপগ্রহ চিত্রেও ধরা পড়েছে যে প্রশান্ত মহাসাগরের উপরিভাগের নীচে উষ্ণ জল তৈরি হচ্ছে।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker