Hooghly: আচমকাই চিরতরে স্কুল বন্ধের নোটিশ হুগলির কুন্তিঘাটে! শুনেই তুমুল বিক্ষোভ অভিভাবকদের | Parents Protest In Hooghly Kuntighat School

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: স্কুল বন্ধের খবরে তুমুল বিক্ষোভ হুগলিতে (Hooghly), প্রধান অধ্যক্ষকে ঘিরে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা স্কুলের সামনে বিক্ষোভ দেখালেন অভিভাবকদের (Parents Protest) একাংশ। চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি কুন্তীঘাটের (Kuntighat) বিড়লা জ্ঞান মন্দির স্কুলে। শেষে পুলিশের তৎপরতায় নিয়ন্ত্রণে আসে পরিস্থিতি। এবং বিক্ষোভকারী অভিভাবকদের কাছ থেকে সময় চেয়ে নেওয়া হয় তিন মাস।
স্কুলের সামনে বিক্ষোভ অভিভাবকদের
প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, গতকাল বুধবার হুগলির কুন্তীঘাটের বিড়লা জ্ঞান মন্দির স্কুলে সকাল থেকেই শুরু হয় ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই নাকি স্কুল কর্তৃপক্ষ এই বিদ্যালয়টি চিরতরে বন্ধ করে দেওয়ার নোটিশ বা খবর দিয়েছে। আর তাতেই সেই স্কুলে পাঠরত শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়ে। তার উপর সামনে বোর্ড পরীক্ষা থাকায় দুশ্চিন্তায় পড়েন অভিভাবকরা। কীভাবে মাঝপথে সবটা সামলাবে তাই নিয়ে নানা বিক্ষোভ শুরু করেন অভিভাবকরা। স্কুল বন্ধ করা যাবে না এই দাবি তুলে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা স্কুলের সামনে বিক্ষোভ দেখালেন তাঁরা।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হাজির হয় পুলিশ
বিক্ষোভরত অভিভাবকদের অভিযোগ, কোনরকম নোটিশ ছাড়াই স্কুল বন্ধ হয়ে গেলে মহা বিপদে পড়বে পড়ুয়ারা। তাই তাই স্কুলের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষকে দ্রুত স্পষ্ট অবস্থানে আসতে হবে। শুধু মৌখিক আশ্বাস নয় লিখিত নির্দেশিকা দিতে হবে। এদিকে বিক্ষোভ যখন ভয়াবহ আকার ধারণ করে তখন স্কুলের তরফে স্থানীয় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করে। পরে পুলিশের তৎপরতায় অধ্যক্ষের সঙ্গে বিক্ষোভকারী চার প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনা করা হয় এবং আপাতত তিন মাসের জন্য স্কুল বন্ধের নোটিশ স্থগিত করা গিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে কোনো রকম লিখিত নির্দেশ দেয়নি স্কুল কর্তৃপক্ষ। তাই আলোচনার পরেও কাটেনি বিতর্ক।
মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারিতেও হল না কাজ! মুর্শিদাবাদে নাবালিকার বিয়ে, আটক মা ও মেয়ে
এদিন অভিভাবক সংগঠনের তরফে স্পষ্ট জানানো হয় যে প্রতি সপ্তাহের শনি এবং রবিবার স্কুল সম্পর্কিত নানা তথ্য আপডেট দেওয়া হবে এবং কেউ যাতে অন্য স্কুলে ভর্তি হওয়ার জন্য চলে না যায় সেই বিষয়ে আবেদন জানানো হয়েছে বাকি অভিভাবকদের। যদিও অনিশ্চয়তা কিছুতেই কাটছে না, এখন দেখার স্কুল কর্তৃপক্ষ কতদিন বিক্ষোভকারী অভিভাবকদের দাবি মেনে স্কুল চালু রাখে।



