0%

Khanakul: মাত্র ৬ মাস বয়সেই বিশ্বরেকর্ড শিশু কন্যার! বিরাট কীর্তি হুগলির খানাকুলের ছোট্ট খুঁদের | Khanakul Baby Inaya Afroz World Record

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম তুললেন খানাকুলের (Khanakul) ৬ মাসের এক শিশুকন্যা। ১২টি ফ্ল্যাশ কার্ড চিহ্নিত করে বিশ্বরেকর্ডের স্বীকৃতি পেল ইনায়া আফরোজ (Inaya Afroz World Record)। তার এই সাফল্যে খুশির হাওয়া বইছে পরিবারে। এত অল্প বয়সে ইনায়ার এই সাফল্যে আনন্দে আপ্লুত গোটা এলাকা। ইতিমধ্যেই সেই খুঁদের বেশ কয়েকটি ছবি এবং ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে হতবাক নেটিজেনরাও।

তিন মাস বয়স থেকেই চর্চা

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, হুগলির খানাকুলের পোল-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সাইবোনা উত্তরপাড়ার ৬ মাসের শিশুকন্যা ইনায়া আফরোজ মাত্র তিন মাস বয়স থেকেই মায়ের কাছে সাদা-কালো কার্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন ছবি চেনার অনুশীলন শুরু করেছিল। মেয়ের এই আগ্রহ দেখে আরও উৎসাহিত হয়েছিল মা সাবনুর সুলতানা। তখন থেকেই পশুপাখি, ছাতা, ঘোড়ার মতো নানা ছবি চিনতে পারার মুহূর্তগুলি ক্যামেরাবন্দি করে প্রতিযোগিতার জন্য পাঠিয়েছিল তার মা।

কৃষ্ণনগরে গৃহবধূকে জোর করে ধর্ষণ বিজেপি কর্মীর

বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ইনায়ার

জানা গিয়েছে, মাত্র পাঁচ মাস ২১ দিন বয়সে ‘ইয়াংগেষ্ট বেবি আইডেন্টিফাই ১২ ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট ফ্ল্যাশ কার্ড’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় ইনায়া। আর তাতেই মেলে সাফল্য। ইনায়ার পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তালিকায় নাম উঠে এসেছে ইনায়া আফরোজের। সম্প্রতি ডাকযোগে পৌঁছেছে সেই রেকর্ডের শংসাপত্র ও মেডেল। খুশিতে আত্মহারা হয়ে উঠেছে পরিবার।

কী বলছেন তাঁর বাবা?

ইনায়ার বাবা সেখ নাজেস আফরোজ কাজের সূত্রে কেরালায় রয়েছেন। চোখের জল ধরে রাখতে পারেনি সে। তার মা-ও বেশ খুশি মেয়ের এই সাফল্যে। তাঁর কথায়, “আমার মেয়ে ছোট থেকেই বেশ পড়াশোনার প্রতি আগ্রহী। ওর মা-ও তাই মেয়েকে নিয়ে অনুশীলন করত প্রায়ই, তাই এই সাফল্য। আমি কাজের সূত্রে বাইরে থাকলেও খুব শীঘ্রই বাড়ি যাব।” মেয়ের এই স্বীকৃতিতে বেশ খুশি পরিবারের বাকি সদস্যরা। সব মিলিয়ে ছোট্ট ইনায়াকে ঘিরে আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছে সাইবোনা এলাকায়।

 গাইঘাটা নাবালিকা ধর্ষণ কাণ্ডে পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু অভিযুক্তের 

প্রসঙ্গত, শিশুর বেড়ে ওঠার প্রতিটি ধাপই পরিবারের কাছে আনন্দের। তাদের প্রথম কথা বলা, কোনো কিছু মনোযোগ করা শেখ, হাঁটাচলা সব মুহূর্তই বেশ আকর্ষণীয়। সেখানে ইনায়ার এই সাফল্যের গল্পও সত্যিই খুব আশ্চর্যজনক। এত ছোট বয়স এত বড় সাফল্য পেতে খুশির আমেজ গ্রামে। পরিবারের আশা তাঁদের মেয়ে একদিন ভবিষ্যতে আরও বড় জায়গায় পৌঁছবে। আর তার জন্য যতটা পরিশ্রম পরিবারকে করতে হবে সবটাই করা হবে।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker