সরকারি স্কুলে ফের চালু হবে পাশ-ফেল প্রথা! রাজ্যের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী

SOBDIK NEWS: রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলে বর্তমানে প্রাইমারি থেকে ক্লাস এইট অবধি পাশ-ফেল প্রথা (Pass-Fail System) নেই। অতীতে এই নিয়ে বিস্তর চর্চা হয়েছে। এবার স্কুলগুলিতে পাশ-ফেল প্রথা ফেরানোর পক্ষে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি জানান, এই বিষয়ে সিলেবাস কমিটির সুপারিশ মেনে চলবে রাজ্য সরকার। তবে ব্যক্তিগতভাবে পাশ-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনা দরকার বলে মনে করেন তিনি।
পাশ-ফেল প্রথা নিয়ে বড় ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর | (Suvendu Adhikari)
সম্প্রতি পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে পাশ-ফেল প্রথা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে তিনি বলেন, “আমরা সিলেবাস কমিটির সুপারিশ মানব। এনইপি রয়েছে। রিপোর্ট আসা অবধি অপেক্ষা করা উচিত। সংশ্লিষ্ট দফতরের মধ্যে যারা রয়েছেন, তাঁরাও বিশিষ্ট মানুষ, শিক্ষিত মানুষ। শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত লোকেরাই শিক্ষা দফতরে আছেন। এই বিষয়ে তাঁদের সিদ্ধান্ত নিতে দিন।“
আরও পড়ুনঃ বাড়তে চলেছে সরকারি কর্মীদের লিভ এনক্যাশমেন্টের সুবিধা! অষ্টম বেতন কমিশনের কাছে বড় প্রস্তাব
তবে শুভেন্দু জানান, ব্যক্তিগতভাবে পাশ-ফেল প্রথা ফেরানোর পক্ষপাতী তিনি। ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনার মানোন্নয়নের জন্য এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা উচিত বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী।
শুভেন্দু বলেন, “আমি ব্যক্তিগতভাবে বলব স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা, ফের পাশ-ফেল প্রথা ফিরিয়ে আনা ও পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস, ভারতবর্ষের ইতিহাস এগুলো ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সঞ্চার করা উচিত। এছাড়া ব্রতচারী, এনএসএস, সব স্কুলে এনসিসি, এগুলোও ফিরিয়ে আনা দরকার।“

এছাড়া পড়ুয়াদের রাষ্ট্রবাদী করে তুলতে বেশ কিছু পরামর্শও দেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “স্কুলে প্রাথমিক স্তর থেকে হারমোনিয়াম, তবলা, সেতার, গিটার, খঞ্জনি, মৃদঙ্গ… এই সাংস্কৃতিক প্রতিভাও দরকার। পড়ুয়াদের রাষ্ট্রবাদী করে তুলতে প্রত্যেক বছর অন্তত তিনদিন করে বিতর্ক, কুইজ, তাৎক্ষণিক বক্তৃতা এগুলো সাংস্কৃতিক ইভেন্টের মধ্যে থাকা প্রয়োজন।“
আসন্ন শিক্ষাবর্ষ থেকে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থায় বেশ কিছু বদলের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে পাশ-ফেল প্রথা ফেরানোর বিষয়ে রাজ্য সরকার সিলেবাস কমিটির সুপারিশই মানবে, সেকথা স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।




