0%

Gold Price Rising: ১০ গ্রাম সোনায় ১ গ্রাম উধাও? সোনার গয়না বানাতে গিয়ে ঠকছেন না তো?

ভারতে সোনা শুধু গয়না নয়, অনেকের কাছে আবেগ ও পরিবারের ঐতিহ্যের প্রতীক। বিয়ে, পুজো বা দিওয়ালিতে সোনা কেনেন অনেকেই। সোনার দাম বাড়ছে। তাই গয়না কেনার সময় সামান্য ভুলেও অনেক টাকা খরচ হয়ে যেতে পারে। ১০ গ্রাম সোনা দিয়ে গয়না তৈরি করলে কিছু ক্ষেত্রে ওজন কমতে পারে। কিন্তু গয়না তৈরির সময় সোনার কিছুটা ক্ষতি হতে পারে। সেই কারণে ক্রেতাকে অতিরিক্ত টাকা দিতে হতে পারে। তবে ১০ গ্রাম সোনাতে ১ গ্রাম কমবেই, এমন কোনও নিয়ম নেই। সবটাই নির্ভরশীল গয়না তৈরির পদ্ধতির উপর। পুরনো সোনার গয়নার বদলে নতুন গয়না তৈরি করলেও এই সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই সোনা কেনার আগে কয়েকটি বিষয় জেনে রাখা জরুরি।

গয়না তৈরির সময় সোনা কেন কমে?

সোনা গলিয়ে গয়না তৈরি করার সময় কাটা, ঘষা ও পালিশ করার মত নানা কাজ করা হয়। এই সময় কিছু সোনা নষ্ট হতে পারে বা পুরোপুরি ফেরত পাওয়া কঠিন হতে পারে। ২৪ ক্যারেটের সোনা খুব নরম। তাই গয়না তৈরির সময় সাধারণত সোনার সঙ্গে অন্য ধাতু মেশানো হয়। এভাবেই ২২ বা ১৮ ক্যারেটের গয়না বানানো হয়। তবে সোনা গলানোর সময় অনেকটা সোনা বাষ্প হয়ে উড়ে যায়, এমন ধারণা সব সময়.ঠিক নয়। আসল ক্ষতি কতটা হচ্ছে, তা গয়না তৈরির পদ্ধতির উপর নির্ভর করে।

পুরনো সোনা বদলালে কী হয়?

পুরনো হার, আংটি বা বালা দিয়ে নতুন গয়না তৈরি করলেও ওজনের পার্থক্য হতে পারে। পুরনো গয়নাতে পাথর বা ধাতু থাকলে সোনার আসল পরিমাণ বুঝতে সমস্যা হতে পারে। তাই গয়না বদলানোর আগে সোনার ওজন বা বিশুদ্ধতা পরীক্ষা করানো ভাল। দোকানদারকে জিজ্ঞাসা করুন, পুরনো গয়না থেকে কতটা সোনা পাওয়া যাচ্ছে এবং নতুন গয়না তৈরি করতে কত টাকা মজুরি দিতে হবে। মনে রাখবেন, হলমার্ক থাকলে সোনার বিশুদ্ধতা যাচাই করা সহজ হয়। তবে হলমার্ক থাকলেই গয়না তৈরির সময় ওজনের পার্থক্য হবে না, এমনও নয়।

সোনা কেনার সময় কী কী মনে রাখবেন?

১- গয়নায় হলমার্ক ও নম্বর আছে কি না, পরীক্ষা করুন।

২- পাথর বা অন্য কিছু থাকলে সোনার আসল ওজন কত, তা জেনে নিন।

৩- গয়না তৈরির মজুরি খরচ কত, তা আগে থেকেই জেনে নিন।

৪- আপনার সামনে গয়নার ওজন ও বিশুদ্ধতা পরীক্ষা করান।

৫- সোনার দাম, মজুরি ও পুরোনো গয়না বদলানোর নিয়ম জেনে নিন। একাধিক দোকানে দাম যাচাই করুন।

গয়না কিনবেন, নাকি সোনার কয়েন?

যাঁরা শুধু গয়না কিনতে চান, তাঁরা সোনার বার বা কয়েন কেনার কথা ভাবতে পারেন। কারণ, গয়না তৈরির জন্য অতিরিক্ত মজুরি দিতে হয়। বিক্রির সময় সেই মজুরির পুরো টাকা ফেরত নাও পাওয়া যেতে পারে। তবে সোনার কয়েন বা বার কিনলেও কেনা বা বিক্রির দামের পার্থক্য ও অন্যান্য খরচ মাথায় রাখা দরকার। সোনার দাম বাড়তেও পারে, কমতেও পারে। ১০ গ্রাম সোনায় ১ গ্রাম ক্ষতি হবেই, এমন নয়। তাই দোকানদারের কাছে ওজন ও খরচের পুরো হিসাব জেনে নিন। এতে অযথা টাকা খরচ হওয়ার আশঙ্কা কমবে ও নিজের সঞ্চয়ের সঠিক মূল্য বুঝবেন।

Related Articles

Back to top button

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker