‘আর কেউ রাঁধতে পারে না’, মায়ের হাতের কোলাম্বি ভাজিতে মজে শচীন, জানুন রেসিপি

মায়ের মতো কেউ হয় না! তাই দুনিয়ার যে প্রান্তেই থাকুন না কেন, মায়ের হাতের রান্না মিস করতেন শচীন তেণ্ডুলকর। ক্রিকেটের জন্য প্রায় সারা বছর বাইরে বাইরে থাকতে হত। বাড়িতে ফেরার আগে মাকে ফোন করে বলে দিতেন, পছন্দের খাবার রান্না করে রাখার জন্য। অবসর নিয়েছেন বহুদিন। মায়ের হাতের রান্নার স্বাদ নিতে নিতে সেই অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন ‘ক্রিকেটের ঈশ্বর’।
তিনি ‘ঈশ্বর’ ঠিকই, তবে মায়ের হাতের রান্নার থেকে প্রিয় কিছু নেই। ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিওয় দেখা যায়, শচীন ডাল-ভাত, আলুভাজা ও চিংড়ির কারি খাচ্ছেন। মায়ের হাতের রান্নায় সেটাই অমৃত। তিনি বলেন, “আমি যখন আগে বিদেশে খেলতে যেতাম, তখন একটা জিনিস মিস করতাম। সেটা হল মায়ের হাতে তৈরি খাবার। ফেরার দু’তিন আগে মাকে ফোন করে দিতাম। বলতাম, এই খাবারগুলো বানিয়ে রাখবে। মায়ের মতো রান্না আর কেউ করতে পারবে না। এখন আর অতো ঘন ঘন রান্না করে না। পরে বাড়ির অনেকেই এই রান্না করার চেষ্টা করেছে। তবে ধারেকাছে আসতে পারেনি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল, এটা হাত দিয়ে খেতে হবে।”
বাংলায় ভাত-ডাল বলা হল ঠিকই। আসলে এ হল খাঁটি মহারাষ্ট্রীয় খাবার। শচীন নিজেই ওই ভিডিওয় পরিচয় করিয়ে দেন। ‘ভারান ভাত’ হল অড়হর ডাল ও নরম-ভাপানো ভাতের মিশ্রণ। শচীনের ‘আই’ অর্থাৎ মা রজনী তেণ্ডুলকর নিজস্ব রেসিপি অনুযায়ী এতে হলুদ, লবণ ও মশলা মেশান। ‘বাটাটা ভাজি’ হল মহারাষ্ট্রের পদ্ধতিতে তৈরি আলুভাজা। এর সঙ্গে থাকছে ‘কোলাম্বি ভাজি’। ৩টে কাটা পেঁয়াজ, ১টা টম্যাটো ও আদা-লঙ্কা বাটায় অল্প তেল দিয়ে বেশ মশলাদার পেস্ট বানানো হয়। তার সঙ্গে মেশাতে হবে প্রয়োজনমতো নুন, হলুদ, গরম মশলা, ধনে-জিঁড়ে গুঁড়ো ও মহারাষ্ট্রের স্টাইলের মালবানি মশলা। লেবুর রস ছড়িয়ে দেড় কাপ গরম জলে মেখে রাখতে হবে।
৫০০ গ্রাম চিংড়ি, নুন-হলুদ গুঁড়ো ও লেবুর রস দিয়ে ১০ মিনিটের জন্য ম্যারিনেট করে নিতে হবে। অল্প আঁচে ভেজে নিয়ে তারপর আগের তৈরি করে রাখা মশলাদার পেস্ট মিশিয়ে দিতে হবে। যতক্ষণ না চিংড়ি নরম হচ্ছে, ততক্ষণ নেড়ে যেতে হবে। এবার নির্ভর করছে, ‘সুখি ভাজি’ হবে নাকি ‘রসা’? সেই বুঝে জল মিশিয়ে নিতে হবে। উপর থেকে ধনে পাতা ছড়িয়ে দিলেই তৈরি হয়ে যাবে ‘কোলাম্বি ভাজি’। শচীনের মায়ের মতো হবে না ঠিকই, তবে নিজস্বতা থাকবে।
শেয়ার
লিংক



