ইউরোপের বাজারে দাপট, বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অস্ত্র রপ্তানিকারক হল ভারত

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ইউরোপের বাজারে ভারতীয় অস্ত্রের দাপট ক্রমশ বেড়েই চলেছে (India Defence Export)। দেশীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা এবং ভারতে তৈরি বিভিন্ন যুদ্ধাস্ত্রের চাহিদা রয়েছে ইউরোপের বাজারে (Europe)। আর সেই সূত্র ধরেই ইউরোপে অস্ত্র সরবরাহকারী দেশগুলির তালিকায় তিন নম্বরে উঠে এলো ভারত। ইউরোপ মহাদেশের দেশগুলিতে অস্ত্র রপ্তানির মধ্য দিয়ে সেখানে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অস্ত্র সরবরাহকারী দেশের তকমা মিলল। সম্প্রতি দেশের প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং জানিয়েছেন, রাশিয়া এবং ইউক্রেনের যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ভারত ইউরোপের দেশগুলিতে 8,271 কোটি টাকার গোলাবারুদ সরবরাহ করেছে। যা প্রতিরক্ষা রপ্তানিতে বড় নজির। জানিয়ে দিই, ভারতের প্রতিরক্ষা রপ্তানি 38,424 কোটি টাকার রেকর্ড মূল্যে পৌঁছেছে।
ইউরোপে অস্ত্র পাঠিয়ে রেকর্ড গড়ল ভারত
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ইউরোপের বাজারে ভারত যে সব গোলাবারুদ রপ্তানি করেছে তার মধ্যে রয়েছে আর্টিলারি এবং মর্টার শেল। একটা সময় যে দেশ অস্ত্রের জন্য বড় নির্ভরশীল ছিল, সেই ভারত এখন ইউরোপের একাধিক পরিচিত দেশে বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ করছে। যার জেরে গোটা বিশ্ব বাজারে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নিয়ে এক শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে নয়া দিল্লি।
গত শুক্রবার ভারতের প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং জানান, ইউরোপের দেশগুলিতে অস্ত্র রপ্তানির নিরিখে গোটা বিশ্বে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। মূলত রিআর্ম ইউরোপের আওতায় মহাদেশটিতে অস্ত্রের বাড়তে থাকা চাহিদা এবং দেশীয় উৎপাদন কাঠামোর সম্প্রসারণের ফলে স্বাভাবিকভাবেই ভারতের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম কিনেছে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ।
‘ওই পজিশনে খেলা ওর সামর্থ্যের বাইরে’ বৈভব সূর্যবংশীকে নিয়ে বড় মন্তব্য অশ্বিনের
কেপিএমজি অগ্রসর ভারত মঞ্চ 2026 এ বক্তব্য রাখতে গিয়ে এদিন ভারতের প্রতিরক্ষা সচিব আরও জানান, এই মুহূর্তে ভারতের প্রধান লক্ষ্য প্রতিরক্ষা শিল্পভিত্তিকে আরও সম্প্রসারিত করা। আগে দেশীয় শিল্পভিত্তি 16টি খাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে তার পরিধি বহুদূর বিস্তৃত। যে কথা না বললেই নয়, দেশের বিভিন্ন প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলি বিভিন্ন দেশীয় সামরিক সরঞ্জাম এবং অর্থশাস্ত্র উৎপাদনের উপর জোর দিচ্ছে। যার ফলে খুব সহজেই বিশ্বের বাজারে ভারতীয় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বা পণ্যের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে। উপকৃত হচ্ছে দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পও।



