স্বাস্থ্যবিমা থাকলেও দিতে হবে চিকিৎসার খরচের একটা অংশ! নতুন নিয়ম আনার ভাবনা সরকারের

SOBDIK NEWS: চিকিৎসার খরচ মেটাতে গিয়ে যাতে হিমশিম না খেতে হয়, সেই জন্য অনেকেই স্বাস্থ্যবিমা (Health Insurance) করিয়ে রাখেন। তবে বড় অঙ্কের স্বাস্থ্যবিমা থাকলেই এবার আর নিশ্চিন্ত থাকা যাবে না। কারণ জেনারেল ইনস্যুরেন্স কাউন্সিল (General Insurance Council) তথা জিআইসি এবার স্বাস্থ্যবিমায় বাধ্যতামূলক কো-পেমেন্ট চালুর প্রস্তাবে নজর দিয়েছে।
স্বাস্থ্যবিমায় এবার কো-পেমেন্ট চালু হবে? | (Health Insurance)
স্বাস্থ্যবিমায় জিএসটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে বিমার অর্থে মাসিক কিস্তির টাকা আগের তুলনায় কমেছে। ফলে এক্ষেত্রে বিনিয়োগের বিষয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। তবে আগামীদিনে স্বাস্থ্যবিমায় কো-পেমেন্ট ব্যবস্থা তথা খরচ ভাগাভাগির ব্যবস্থা চালু হলে বিমাকারীর খরচ বাড়তে পারে।
আরও পড়ুনঃ অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে কথা রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী! আরও বাড়ল উপভোক্তার সংখ্যা
জেনারেল ইনস্যুরেন্স কাউন্সিলের প্রস্তাবে যদি শিলমোহর পড়ে তাহলে চিকিৎসার খরচের একটা নির্দিষ্ট অংশ বিমা সংস্থা দেবে। বাকি টাকা বিমাকারীকে দিতে হবে। সেই অংশের পরিমাণ বাধ্যতামূলকভাবে ১০ শতাংশ করার বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করছে কেন্দ্রীয় সরকার।
তবে স্বাস্থ্যবিমায় বাধ্যতামূলকভাবে কো-পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু হলে একটা ঊর্ধ্বসীমা রাখার বিষয়েও জেনারেল ইনস্যুরেন্স কাউন্সিলের অন্দরে আলোচনা চলছে। জানা যাচ্ছে, প্রত্যেকটি ক্লেমে রোগীর পরিবারের তরফে সর্বাধিক পাঁচ লক্ষ টাকা অবধি দিতে হতে পারে।
স্বাস্থ্যবিমায় কো-পেমেন্ট ব্যবস্থা চালু হলে বিমাকারীর খরচ নিশ্চিতভাবে বৃদ্ধি পাবে। বিমার কিস্তির পাশাপাশি চিকিৎসার খরচের একটা অংশও বাধ্যতামূলকভাবে তাঁদের দিতে হবে। ফলে সেদিকেও নজর রাখছে জিআইসি।

এদিকে আর্থিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন, কো-পেমেন্ট ব্যবস্থা বাধ্যতামূলকভাবে চালু হলে স্বাস্থ্যবিমার কিস্তি কমাতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার। বর্তমানে শুধুমাত্র ৬০ বছরের বেশি বয়সী নাগরিকদের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা চালু আছে। কারণ তাঁদের অসুস্থতার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি। সেখান থেকে বিমা সংস্থার লাভের পরিমাণ কম থাকার কারণেই এই কো-পেমেন্ট ব্যবস্থা আছে।
তবে এবার সব ধরণের স্বাস্থ্যবিমা গ্রাহকের ক্ষেত্রেই কো-পেমেন্ট ব্যবস্থা চালুর প্রস্তাবে নজর দিয়েছে জিআইসি। শেষমেষ বাধ্যতামূলকভাবে এই ব্যবস্থা চালু হলে গ্রাহকদের খরচ অনেকটাই বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।




