Three members of the same family died on three consecutive days in siliguri

বউদির সঙ্গে দেওরের পরকীয়া! ঝামেলার জেরে স্ত্রীকে খুন করে আত্মঘাতী স্বামী। তারপরই যে শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় দাদা, বউদির সেই শ্মশান থেকেই শুক্রবার সকালে উদ্ধার হল দেওরের ঝুলন্ত দেহ। পরপর তিনদিনে একই পরিবারে তিনজনের মৃত্যু। পরকীয়ার মর্মান্তিক পরিণতি দেখল ডুয়ার্সের দুরামারী গ্রাম।
বুধবার রাতে মরাঘাটের জঙ্গল থেকে পূর্ব দুরামারি গ্রামের বাসিন্দা চুমকি রায় (৪০)-এর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে বানারহাট থানার পুলিশ। তারপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন স্বামী। রাতভর তল্লাশির পর বৃহস্পতিবার সকালে ওই জঙ্গল থেকেই উদ্ধার হয় চুমকির স্বামী বিমল রায়ের ঝুলন্ত মৃতদেহ। শুক্রবার সকালে উদ্ধার হয় দেওর সনাতন রায়ের ঝুলন্ত দেহ।
বাবা, মাকে হারানো চোদ্দো বছরের ছেলে জানায়, মায়ের সঙ্গে কাকার সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বাবা, মায়ের মধ্যে অশান্তি চলছিল। বুধবার তা চরম আকার ধারণ করলে দু’জনে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যায়। ভয়েস মেসেজে সেখানে মাকে খুন করে নিজেও আত্মহত্যা করতে চলেছে বলে জানায় বাবা। মায়ের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারের পর এমনটাই জানায় নাবালক। ঘটনায় তাঁর দিকে অভিযোগে আঙুল উঠলেও কার্যত নীরব ছিলেন সনাতন। বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তের পর গ্রামের শ্মশানে স্বামী স্ত্রীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। শুক্রবার সেই শ্মশান থেকেই উদ্ধার হয় সনাতনের ঝুলন্ত দেহ।
সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, আত্মহত্যার আগে সনাতন বউদি চুমকির সঙ্গে তাঁর বিভিন্ন সময়ের একান্ত ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের একাধিক ছবি পোস্ট করেন। পুলিশের অনুমান, ছবিগুলো পোস্টের পর শ্মশানের একটি গাছে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে সনাতন। ফোন বাজেয়াপ্ত করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
শেয়ার
লিংক



